SPG জওয়ান-রা বহন করে বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান ও ঘাতক হাতিয়ার, যা দিয়ে শত্রুদের করা যেতে পারে মুহূর্তের মধ্যে শেষ

বুধবার পাঞ্জাবের ফিরোজপুর জেলার একটি মহাসড়কে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির গাড়ি আটকে থমকে দাঁড়িয়েছিল প্রায় আধঘন্টা। পাঞ্জাবে প্রবেশ করার সময় হাইওয়েতে কৃষকেরা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান এবং সেই সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কনভয় আটকে থাকে প্রায় আধঘন্টা। ঘটনার সময় সেখানে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছিল। বিকল্প কোন পথ খুঁজে না পাওয়ায় বিমানবন্দরে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সৌভাগ্যবশত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি কারণ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপের কমান্ডো ফোর্স।

প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর সম্পূর্ণ পরিবারের নিরাপত্তা বিশেষভাবে সুরক্ষিত রাখার জন্য এই কমান্ডো বাহিনী নিয়োগ করা হয়। ১৯৮৪ সালে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী হত্যার পর প্রধানমন্ত্রীদের নিরাপত্তার জন্য এসপিজি গঠন শুরু হয়েছিল এবং ১৯৮৮ সালে বিশেষ সুরক্ষা গ্রুপ আইন, কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনিতে গঠিত হয়েছিল। পুলিশ ফোর্স এবং রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্সের কর্মীরাও এসপিজি হতে পারেন। শুধু মাত্র পাঁচ বছরের জন্য যেকোনো কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর কর্মী এসপিজিতে যোগদান করতে পারেন।

এসপিজি কর্মীরা নিরাপত্তা দেওয়ার সময় প্রাণঘাতী অস্ত্র বহন করেন যাতে চোখের পলকে শত্রুকে নিহত করে দেওয়া যায়। এসপিজি কমান্ডোদের অস্ত্র চালানো, ভিআইপিদের সুরক্ষা দেওয়া, অস্ত্র ছাড়া যুদ্ধ করা, প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া এবং সমস্ত যানবাহন চালানো শেখানো হয়। এসপিজি ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ট্যুরের দ্বিতীয় শাখা।


প্রসঙ্গত, বুধবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বিশেষজ্ঞগণ পাঞ্জাবে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার ঘাটতিকে একটি বড় ভুল বলে বিবেচনা করেন। যদি কোন বিক্ষোভকারী প্রধানমন্ত্রী কাছাকাছি চলে আসতেন তাহলে সেইদিন বড়োসড়ো কোন বড়োসড়ো বিপদের সম্মুখীন হতে হতো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। যদিও কমান্ডোদের দৃষ্টি এড়িয়ে কাজ করা একপ্রকার অসম্ভব।