বাংলার জনগণ কী শোভন চ্যাটার্জির এই নাটক মেনে নেবেঃ শোভন পুত্র ঋষি

শোভন চট্টোপাধ্যায় তাঁর স্থাবর-অস্থাবর সমস্ত সম্পত্তি তাঁঁর বান্ধবী বৈশাখী বন্দোপাধ্যায়কে লিখে দিলেন। সম্পত্তি লিখে দেওয়ার পর পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্রকে চিঠি দিয়ে শোভন জানিয়েছেন যে তাঁর বান্ধবীর জন্য নিরাপত্তা রক্ষীর প্রয়োজন কারণ তাঁর সম্পত্তি বৈশাখীকে দেওয়ার পর রত্না নাকি বৈশাখীকে খুন করার চেষ্টা করছেন। সম্পত্তির লেনদেন সংক্রান্ত সমস্ত ঘটনাকেই শোভন পুত্র সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায় ওরফে ঋষি নাটক বলে অভিহিত করেন।

শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং বৈশাখী বন্দোপাধ্যায় কে নিয়ে বর্তমান রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। কিছুদিন আগে থেকেই আমরা জানি শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর বান্ধবীর সম্পর্ককে নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। এবার দেখলাম শোভন চট্টোপাধ্যায় তাঁর স্থাবর অস্থাবর সমস্ত সম্পত্তির মালিকানা দিলেন তাঁর বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর।

তবে শুধু এখানেই শেষ নয় তিনি বৈশাখীর জন্য নিরাপত্তা রক্ষীর আবেদন জানান পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্রকে চিঠি দিয়ে কারণ তিনি বলেছেন তাঁর স্ত্রীর রত্না চট্টোপাধ্যায় নাকি বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে খুনের চেষ্টা করছেন।

নারদা মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর শোভন যখন এসএসকেএম-এ ভর্তি তখন তাঁর স্ত্রীর হামলা করার জন্য গুন্ডা পাঠিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। পুলিশ কমিশনারের কাছে আবেদন পত্রটি সামনে আসতেই বাবাকে তীব্র কটাক্ষ করেন শোভন চট্টোপাধ্যায়ের ছেলে সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায়।

সপ্তর্ষি তাঁর বাবাকে কটাক্ষ করতে গিয়ে বলেছেন, ‘‘বৈশাখীর হাতে নাকি পাওয়ার অব অ্যাটর্নি! বৈশাখী নাকি তাঁর সব সম্পত্তির অধিকারিণী! শোভেন চ্যাটার্জি তো নিজেকে আইনজীবী বলেন! ডিগ্রি দেখিয়ে বেড়ান। বলুন এক বার সংবিধান খুলে চোখ ঝালিয়ে নিতে। বলে দিলেন আর ভাবলেন, বাংলার ৭ কোটি মানুষ ওঁর এই ড্রামা বিশ্বাস করে নেবেন। এটা হতে পারে না।’

এর পাশাপাশি শোভনের দায়িত্বজ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন তুলে ঋষি বলেছেন, ‘‘আমি একটা কথাই জানি, জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষের আশা-আকাঙ্কা রাখেননি শোভন চ্যাটার্জি। উনি একজন স্বার্থপর মানুষ। শুধু নিজের কথা ভাবেন। নিজের প্রেমজীবন নিয়েই ব্যস্ত।’’