বেজিংকে চাপে রাখতে কড়া বার্তা ভারতের, দক্ষিণ চীন সাগর এলাকা কারও একার সম্পত্তি নয় বলে হুংকার নয়াদিল্লির…

চীনের ওপর কূটনৈতিক চাপ বাড়াতে আরও একটি অসাধারণ পদক্ষেপ নিল ভারত সরকার। তাইওয়ানের পর এবার দক্ষিণ চীন সাগরকে প্রধান হাতিয়ার করেছে ভারত। এদিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার নাম না করে চীনকে কড়া জবাব দেয় কেন্দ্রীয়। কেন্দ্র সরকার তরফ থেকে এইদিন নয়াদিল্লি সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে দক্ষিণ চীন সাগর কারোর একার সম্পত্তি নয়।বৃহস্পতিবার এ নিয়ে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব সাংবাদিকদের মুখোমুখি হওয়ার পর জানিয়ে দিয়েছেন যে,” দক্ষিণ চীন সাগরে বৈশ্বিক কৃতিত্ব আছে।

আর ভারত সব সময় চাইবে যে এই অঞ্চলের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকুক।” এনার এই মন্তব্যের পর স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে যে এই অঞ্চল নিয়ে বেজিংয়ের আগ্রাসনকে ভারত কোনোভাবেই প্রশয় দেবে না। তাই চীনের উদ্দেশ্যে ভারত এই বার্তা দিয়েছে বৃহস্পতিবার। এছাড়াও লাদাখ সীমান্তে যদি চীনা আগ্রাসন না থামে তাহলে ভারত কূটনৈতিকভাবে চীনকে জব্দ করার রাস্তা জানে। এই বলে চীনের প্রশাসনকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ভারত। লাদাখ সীমান্তে সেনা প্রত্যাহার করা কে নিয়ে অনুরাগ শ্রীবাস্তব জানিয়েছে, এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা সফল রয়েছে।

নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর দুই দেশেই সেনা প্রত্যাহার করার পক্ষপাতিত্ব হয়েছে।অপরদিকে আবার যবে থেকে মোদী সরকার ক্ষমতায় এসেছে সেদিন থেকে আমেরিকার সাথে বন্ধুত্ব আরো গভীর হয়েছে ভারতের। সম্প্রতি লাদাখ সীমান্তে সংঘর্ষ হয়েছিল তাতে ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে আমেরিকা। এছাড়াও আমেরিকা এবং চীনের মধ্যে দ্বন্দ্ব লেগে রয়েছে। সম্প্রতি করোনা ভাইরাস ছড়ানোর জন্য আমেরিকাকে দায়ী করেছিল আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনকি প্রয়োজন পড়লে আমেরিকার সেনা পাঠানো হবে বলে জানিয়েছিল তারা।

তাই ভারতে সুযোগকে কাজে লাগিয়ে চীনকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে চীন যদি লাদাখ সীমান্তে আগ্রাসন না থামায় তাহলে ভারতও তাদেরকে কড়া ভাষায় জবাব দেবে। সব মিলিয়ে দুই দেশ একেবারে মাঠে নেমে পড়েছে চীনা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কড়া জবাব দেওয়ার জন্য। তবে এই দুই দেশের বন্ধুত্ব যে চীনকে চাপে রেখেছে তা স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে।আপনাদের জানিয়ে দিই দক্ষিণ চীন সাগর কে নিজেদের দখলে আনতে চাইছে চীন। চীনের এই লড়াইয়ের মধ্যে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ফিলিপিন্স, জাপান এবং ইন্দোনেশিয়াও রয়েছে।


সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার একটি দ্বীপে মাছ ধরার জন্য অধিকার চাইছে চীন। যদিও এই জায়গাটি চীনের ভূখণ্ড থেকে দেড় হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। অপরদিকে আবার চীনকে শায়েস্তা করার জন্য আমেরিকা ওই অঞ্চলে দুটি যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী নামিয়ে দিয়েছে। সব মিলিয়ে দক্ষিণ চীন সাগর এখন উত্তপ্ত।