কীভাবে যৌবন ধরে রেখেছেন মহারাজ, নিজের মুখেই দাদাগীরির মঞ্চে করলেন সে কথা স্বীকার

বাঙালির মনে প্রাণে রয়েছে একটি নাম, দাদা। যদিও অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীকেও সারা বাঙালি দাদা বলে ডাকে তবুও বাঙালির সবথেকে বড় ইমোশন যে দাদার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে, তিনি হলেন সৌরভ গাঙ্গুলী। ক্রিকেট দুনিয়ায় নিজের জাদু দেখানোর পর বর্তমানে তিনি ক্যামেরার সামনে অসাধারণ এংকারিং করেন এবং মানুষকে মনোরঞ্জন করেন। প্রায় নয় বছর ধরে দাদাগিরি একা হাতে সামলে চলেছেন সৌরভ গাঙ্গুলী। সৌরভ গাঙ্গুলী ছাড়া যে দাদাগিরি ভাবাই যায় না তা প্রমাণ হয়ে গিয়েছিল একটি বছর যখন মিঠুন চক্রবর্তী দাদাগিরি সঞ্চালক হয়েছিলেন। সে যাই হোক, আমাদের দাদাগিরি যে দাদা ছাড়া যে একেবারে অপূর্ণ তা আমরা সকলেই জানি।

শীঘ্রই শেষ হয়ে যাচ্ছে দাদাগিরি চলতি বছরের সিজন। গ্র্যান্ড ফিনালের শুটিং পর্ব ইতিমধ্যে সমাপ্ত হয়ে গেছে। স্বাভাবিকভাবেই এই অনুষ্ঠানের শেষ লগ্নে এসে বেশ মন খারাপ সাধারণ মানুষের। তবে শেষ কয়েকটি পর্ব যে জমজমাট হতে চলেছে তা প্রমাণ হয়ে গেল সম্প্রতি প্রকাশিত ট্রেলার দেখে।

সম্প্রতি এই রিয়েলিটি শোতে উপস্থিত হয়েছিলেন টেলিপাড়ার পরিচিত বেশ কয়েকজন মুখ। উপস্থিত হয়েছিলেন মিঠাই পরিবারের সদস্য, অভিনেত্রী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। সৌরভকে অর্পিতা সরাসরি বলেন, তোমাকে বরাবর দেখি একই রকম হ্যান্ডসাম এবং সুন্দর হয়ে রয়েছো। তোমাকে দেখে আমরা সবকিছু ভুলে যাই। তোমার ডায়েট চার্ট টা যদি জানতে পারি তাহলে খুব উপকার হয়।

স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে একমুখ হাসি হেসে সৌরভ উত্তরে বলেন, তিনি নাকি দিন শুরু করেন সবুজ উচ্ছের রস দিয়ে। পাশাপাশি সারা দিনের খাদ্য তালিকা থেকে তিনি বাদ দিয়ে দিয়েছেন মটন, চিকেন, চকলেট এবং সব ধরনের মিষ্টি। একথা শুনে রীতিমতো হতবাক হয়ে গেছে সকলে। সত্যি দাদা পারেনা এমন কোন কাজ হয় না। যদিও শুধুমাত্র ফিটনেস ধরে রাখার জন্য নয় ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী এই সমস্ত খাবার থেকে নিজেকে বঞ্চিত করে রেখেছেন দাদা।

গত বছরের শুরুর দিকে সৌরভের হৃদযন্ত্রতে তিনটি ব্লকেজ ধরা পড়েছিল, মহারাজের এনজিওপ্লাস্টি করা হয় সেই সময়ে। তারপর থেকে খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে ভীষণভাবে সচেতন থাকেন তিনি। বাইরের খাবার নৈব নৈব চ। সৌরভের এই ডায়েটের ফিরিস্তি শুনে অভিনেত্রী অর্পিতা বলে ওঠেন, মিষ্টি খাবার কোন প্রয়োজন নেই আপনার আপনার হাসিটাই যে মিষ্টি। জবাবে মহারাজ বলেন, হাসির জন্য ডায়েট লাগেনা মশাই, ওটার জন্য দাঁত লাগে যেটা আমার আছে।