মোদী আর বাকিদের মধ্যে পার্থক্য কোথায় বুঝিয়ে দিলেন সৌমিত্র খাঁ

বর্তমানে রাজ্য রাজনীতির বিভিন্ন খবরে সৌমিত্র খাঁ নামটি প্রায়ই জনসমক্ষে আসে। বিভিন্ন কারণে তিনি সংবাদ শিরোনামে আসেন। কখনও দলীয় পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে, আবার কখনও জঙ্গলমহল, বাঁকুড়া, পুরুলিয়াকে আলাদা রাজ্য ‘রাঢ়ভূমি” করার ডাক দিয়ে। তাঁকে নিয়ে বহু বিতর্কের সৃষ্টি হলেও এইসব দিকে তিনি কখনও কর্ণপাত করেননি।

রাজ্যের যুবমোর্চার পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন এই সৌমিত্রবাবু। ইস্তফা দেওয়ার পর তিনি লাইভে এসে বিজেপির দুই নেতার বিরুদ্ধে ক্ষোভও উগরে দিয়েছিলেন। নাম না করে তিনি বিঁধেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীকে। ঠিক তার কয়েক ঘণ্টা পার হতে না হতেই সেই ইস্তফাটি প্রত্যাহার করে নেন এই নেতা।

তবে এবার সবকিছু ভুলে তিনি কয়েক দিন আগেই জেপি নাড্ডার সাথে সাক্ষাৎ করে দলের বাকি নেতাদের সাথে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি কথা দিয়েছেন যে বিজেপির প্রতিটি সদস্যদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে তারা আগামী পঞ্চায়েত ভোটে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূলের সংখ্যা শূন্য করবেন।

আজ সংসদে বাদল অধিবেশন শুরু হওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন সাংবাদিকদের সাথে কথা বলছিলেন। তখন বৃষ্টি পড়ছিল তাই প্রধানমন্ত্রী নিজের ছাতা নিজেই ধরেছিলেন।

 

এই ছবিটি দেখে সৌমিত্র খাঁ অভিভূত হয়ে ছিলেন। তিনি তাঁর টুইটার অ্যাকাউন্টে তিনটি ছবি পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে মনমোহন সিং এবং সোনিয়া গান্ধীর পার্থক্য বোঝাতে চেয়েছেন। ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে যে সোনিয়া গান্ধী এবং মনমোহন সিং এর মাথায় ছাতা ধরেছেন তাদের নিরাপত্তারক্ষী। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজের মাথার ছাতা নিজেই ধরেছেন।