দরিদ্রদের সাহায্য করতে নিজের সম্পত্তি বন্ধক দিলেন সোনু সুদ

দরিদ্রদের সাহায্যার্থে 10 কোটি টাকার প্রয়োজন। তাই এবার নিজের সম্পত্তি বন্ধক রাখলেন অভিনেতা সনু সুদ। লকডাউনে পরিত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন বলিউডের এই বিখ্যাত অভিনেতা। যে যেখানে বিপদে পড়েছেন,তাঁকে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার সমস্যার সমাধান করেছেন। এবার দরিদ্রদের পাশে দাঁড়াতে নিজের সম্পত্তি বন্ধক রাখলেন অভিনেতা৷ এই সম্পত্তি তাঁর এবং তার স্ত্রী সোনালির নামে কেনা হয়েছিল। জানা যাচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংকের কাছে 10 কোটি টাকার লোন নিয়েছেন অভিনেতা সোনু সুদ৷ তার জন্য 6 টি ফ্ল্যাট এবং দুটি দোকান বন্ধক রেখেছেন চড়া সুদে। মুম্বাইয়ের জুহুতে মোট আটটি সম্পত্তি বন্ধক রেখেছেন ইসকন মন্দিরের কাছে বিনয়ের রোডের কাছে৷ রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে 24 শে নভেম্বর এবং এগ্রিমেন্ট সই করা হয়েছে 15 সেপ্টেম্বর

 

 

Sonu Sood promises to help a man reach his hometown for his wife's last rites | Hindi Movie News - Times of India

 

করোনার আবহে যখন লকডাউন চলছে দেশে তখন মাইলের পর মাইল হেঁটে পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। ট্রেন-বাস এমনকি কেউ কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিমানে করে ঘরে ফেরার বন্দোবস্ত করেছিলেন। যখন যেখানে যে বিপন্ন দুর্গত মানুষটাকে জানিয়েছেন তাঁর দুরবস্থার কথা তিনি বিন্দুমাত্র দ্বিধা না করে তার পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছেন৷ এমনকি টোল ফ্রি নাম্বার একটি হেল্পলাইন নম্বর পর্যন্ত চালু করেছিলেন বিপদে পড়া মানুষরা যাতে তার বিপদের কথা তাকে জানাতে পারেন। দুঃস্থ ছেলে মেয়েদের পড়াশোনায় আর্থিক সাহায্য পাঠিয়েছেন। কখনো বা বেকার ছেলের বাবার অপারেশনের জন্য টাকা পাঠিয়েছেন।

 

সুরাপ্রেমীদের জন্য দুঃসংবাদ, নতুন বছরের ২৭ টা দিন থাকছে ড্রাই ডে!

 

Sonu Sood organises buses for migrants stuck in Mumbai | Entertainment News,The Indian Express

লকডাউন এর সময় তাঁর মানবিক ভূমিকার জন্য গত সেপ্টেম্বরে ডিজিটাল হিউম্যানিটি অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে সোনু সুদ কে৷ তবে এতদিন জমানো টাকা থেকে সাহায্য করতেন সে একরকম ছিল কিন্তু নিজের প্রভূত সম্পত্তি বন্ধক রেখে চড়া সুদে ধার নিয়ে আর্তের সেবায় এগিয়ে আসা এ এক অনন্য উদাহরণ তৈরি করলেন সনু সুদ। তিনি জানিয়েছেন, করোনা সংক্রমণ লকডাউন আসলে জীবন বদলে দেওয়া অভিজ্ঞতা। দিনে 16 থেকে 18 ঘন্টা পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গে কাটানোর যন্ত্রণা দুঃখ ভাগ করে নেওয়ার পর যখন ওরা ঘরের পথে রওনা দিত হাসিমুখে, তখন বিদায় জানাতে গিয়ে বুকটা খুশিতে ভরে উঠে।