শুরুতেই ধাক্কা!কোভিশিল্ড নিতে নারাজ চিকিৎসকদের একাংশ

দেশজুড়ে শুরু হয়েছে করোনা টিকাদান। কিন্তু ভারত বায়োটেক এর তৈরি কোভ্যাক্সিন  নিতে আপত্তি জানিয়েছেন চিকিৎসকদের একাংশ।  তাদের দাবি, কোভিশিল্ড ট্রায়ালের তিনটি ধাপ পার করে এসেছে।  সে ক্ষেত্রে কোভ্যাকসিন এখনো পিছিয়ে রয়েছে।

তাই কোভিশিল্ড এর ওপরে আস্থা রয়েছে চিকিৎসকদের।  হায়দ্রাবাদের ভারত বায়োটেক এর  তৈরি করোনা প্রতিষেধকে ছাড়পত্র দিলেও দিল্লির অন্যতম বৃহত্তম চিকিৎসাকেন্দ্র রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসকরা এই ভ্যাকসিন নিতে আপত্তি জানিয়েছেন।  তারা মেডিকেল সুপারকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন তাদের সংশয়ের কথা।

ওই চিঠিতে লেখা হয়েছে,  ভারত বায়োটেক এর তৈরি ভ্যাকসিনের তুলনায় সেরাম ইনস্টিটিউটের ভ্যাকসিন এ আস্থা কম৷ কোভিশিল্ডে আস্থা বেশি কারণ এটি ট্রায়ালের তিনটি ধাপ  সম্পূর্ণ করেছে৷ সেক্ষেত্রে করোনা প্রতিরোধে কার্যকর হবে।  কিন্তু ট্রায়াল সম্পূর্ণ না করেন অনুমোদন তা নিয়ে আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।  তাই টিকাকরণের ক্ষেত্রে সেটি ব্যবহার না করার অনুরোধ জানিয়েছেন তারা। এই কারণে হাসপাতালের চিকিৎসক টিকাকরনের জন্য নাম নথিভুক্ত করেননি।  তারা বলেছেন ভ্যাকসিন নিয়ে সংশয় রয়েছে।  পরীক্ষা সম্পন্ন হয়নি তাই এই মুহূর্তে তারা ওই ভ্যাকসিন নিতে চাইছেন না।

 

আম্বানিকে টপকে ১ নাম্বারে উঠে এল টাটা গ্রুপ

ব্রিটিশ সংস্থা এবং অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির প্রতিষেধক তৈরি করেছে তাদের প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে ভারতে এই প্রতিষেধক উৎপাদনের দায়িত্ব পেয়েছিলেন সেরাম ইনস্টিটিউট।  অন্যদিকে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চ সঙ্গে ভারত বায়োটেক মিলিত ভাবে তৈরি করেছে  কোভ্যাকসিন।   জরুরী ভিত্তিতে এই দুটি প্রতিষেধকের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু তিনটি ধাপ সম্পন্ন হওয়ার আগেই ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।  তা নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল।  বিরোধী শিবির থেকে রাজনৈতিক দল দেশের চিকিৎসক থেকে গবেষক সকলেই এর  কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন।  যদিও সরকারের তরফে বলা হয়েছে গুজবে কান না দিতে।