ভ্যাকসিনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রোধ করতে খাদ্যাভ্যাসের কিছু পরিবর্তন

করোনা মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউ সমগ্র ভারতবর্ষে ছড়িয়ে পড়েছে।  প্রত্যেকদিন বহু সংখ্যক মানুষ এই ভাইরাসের দ্বারা সংক্রামিত হচ্ছেন।  এই পরিস্থিতির মোকাবিলায় সরকার ইতিমধ্যেই লকডাউন ঘোষণা করেছেন।  প্রত্যেকদিন অনেক মানুষ ভ্যাকসিন নিচ্ছেন।  কোন কোন জায়গায় 18 বছরের বেশি বয়সের ক্ষেত্রে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে৷ কিন্তু ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য পরবর্তীকালে অনেকের মধ্যেই দেখা দিচ্ছে বেশ কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।  এই সমস্ত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া খুব সহজেই আপনি রোধ করতে পারবেন যদি আপনার খাদ্যাভ্যাসের কিছু পরিবর্তন আনেন।

সঠিক এবং পুষ্টিকর খাদ্য ভ্যাকসিন নেওয়ার আগে এবং পরে নিয়মিত খেলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দেবে না। তবে খালি পেটে ভ্যাক্সিন নিতে যাবেন না।  এছাড়া ধূমপান এবং মদ্যপান থেকে বিরত থাকুন।

কাঁচা হলুদ- কারকুমিন থাকে  হলুদে৷ যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো।  একদিকে যেমন স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে।  তেমনি ভ্যাকসিন নেওয়ার আগে হলুদ খাওয়া জরুরি।  রান্নার পাশাপাশি দুধের সাথে হলুদ মিশিয়ে খেতে পারেন।  ইমিউনিটি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

রসুন – দেহের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন কার্যকলাপ সঠিকভাবে সম্পন্ন করে।  তাই রসুন খেতে পারেন। ফুসফুসের সংক্রমণ রোগ কে নিয়ন্ত্রণ করে।

আদা – স্ট্রেস কমায় তাই ভ্যাকসিন নেওয়ার আগে কাঁচা আদা ও মুখে রাখতে পারেন।

সবুজ সবজি –  প্রত্যেক দিনের খাবারের মধ্যে সবুজ শাক-সবজি রাখার চেষ্টা করুন।  সবুজ সবজিতে থাকে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিকর উপাদান এবং খনিজ পদার্থ সর্বোপরি ক্যালসিয়াম।

ফল –  এছাড়া প্রত্যেকদিন একটা করে ফল খাওয়ার চেষ্টা করুন।  কারণ যে কোন ফলের মধ্যেই থাকে ফাইবার ভিটামিন খনিজ পদার্থ এবং প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

PNB-র এই দুর্দান্ত স্কিমে ইনভেসমেন্ট করলে এখন আপনিও হয়ে যাবেন ৬৮ লক্ষ টাকার মালিক, তাই দেরি না করে

চিকেন / ভেজিটেবল স্যুপ- স্যুপ  খেতে পারলে শরীরের জন্য অত্যন্ত ভালো।

এছাড়া খেতে পারেন ডার্ক চকলেট চকলেট-  আমাদের মন ভালো রাখতে সাহায্য করে।  সেইসাথে শরীরে এনার্জি যোগায়।  গবেষণায় দেখা গেছে ডাক চকলেট করোনা  রোগের প্রবণতা কমিয়ে দেয়।  তাই ভ্যাকসিন নেওয়ার পর চেষ্টা করুন ডাক চকলেট খেতে।

ভার্জিন অলিভ অয়েল – ডায়াবেটিস এবং সংক্রান্ত রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।  শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে কার্ডিওভাসকুলার রোগের সম্ভাবনা কমায়।

ব্রকোলি-  সেদ্ধ করে রান্না করে খাওয়া যেতে পারে।

ব্লুবেরি- এতে  রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাভানয়েড৷  রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারী।