একেই বলে নেপোটিজম! প্রথম ছবিতে পারিশ্রমিক হিসেবে আলিয়া গুনেন ১৫ লক্ষ টাকা, অন্যদিকে মাত্র এত টাকাতেই সীমিত থাকেন সিদ্ধার্থ

দেখতে দেখতে দশ বছর হয়ে গেল। ২০১২ সালে এক সঙ্গে বড় পর্দায় পদার্পন করেছিলেন আলিয়া ভাট এবং সিদ্ধার্থ মালহোত্রা। একজন বিখ্যাত স্টার কিড, অন্যজন বহিরাগত, যিনি শুধুমাত্র দু একটি সিনেমাতে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছিলেন। এই দুই অভিনেতা-অভিনেত্রীর সঙ্গে একইসঙ্গে বলিউডে পদার্পণ করেছিলেন পরিচালক ডেবিড ধাওয়ানের ছেলে বরুণ ধাওয়ান।

সিনেমাটি আমরা সকলেই জানি। সিনেমাটির নাম স্টুডেন্ট অফ দ্যা ইয়ার। বলিউডে বেশ সাফল্য পেয়েছিল এই সিনেমাটি। তবে আরও একটি ঘটনা ঘটেছিল এই সিনেমাটিকে ঘিরে। এই সিনেমার হাত ধরেই বলিউডে জোর আলোচনা শুরু হয় স্বজনপোষণ নিয়ে। এই স্বজনপোষণ ব্যাপারটি অনেক আগে থেকেই ছিল বলিউডে বা অন্যান্য ক্ষেত্রে কিন্তু হঠাৎ করেই যেন সকলের সামনে আরো নগ্ন ভাবে বেরিয়ে এলো বিষয়টি।

পরিচালক করন জোহর যেখানে সব সময় বলে এসেছিলেন, তিনি কখনোই বৈষম্য রাখেন না কারোর মধ্যে। কে স্টার কিড কে বহিরাগত, তার ওপর ভিত্তি করে আলাদা ব্যবহার পায় না কেউ। কিন্তু এই বৈষম্যই দেখা গিয়েছিল দুই তারকার পারিশ্রমিকে, যার নিরিখে আরো একবার প্রমাণিত হয়েছিল কিছুটা হলেও আলাদা আলাদা করে দেখা হয় তারকা সন্তান এবং বহিরাগতদের।

প্রথম সিনেমা স্টুডেন্ট অফ দ্যা ইয়ার, যে সিনেমাতে অভিনয় করার জন্য যেখানে আলিয়া ভাট পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন ১৫ লক্ষ টাকা সেখানে ই সিদ্ধান্ত মালহোত্রা কত টাকা পেয়েছিলেন শুনে চমকে যাবেন আপনি। ওই একই সিনেমাতে একই অভিনয় করে সিদ্ধান্তকে দেওয়া হয়েছিল মাত্র এক লক্ষ দশ হাজার টাকা, যা সত্যি অভাবনীয়।

মুম্বাইয়ের একটি সংবাদ সংস্থাকে সাক্ষাৎকার সিদ্ধান্ত বলেছিলেন, প্রথম সিনেমাতে অভিনয় করে আমি পেয়েছিলাম এক লক্ষ দশ হাজার টাকা, যার মধ্যে ৫৫ হাজার টাকা আমি পার্টি করেই খরচ করে ফেলেছিলাম। এই কথা থেকে আরো একবার স্পষ্ট যে ভেদাভেদ ব্যাপারটি অবশ্যই হয় বলিউডে এবং খুব ভালোভাবেই হয়।