মুখের ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে হলুদ ব্যবহার করেছিলেন মহিলা, কিন্তু মুখের রং-ই হয়ে যায় হলুদ

সমস্ত প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি ঘরে তৈরি ডিআইওয়াই ফেস প্যাকের  চেয়ে ত্বকের পক্ষে ভালো আর কিছু নেই। ভারতে হলুদের ব্যবহার খুবই প্রচলিত৷ তবে ভারতীয় মাত্রেই জানেন যে, কোনও কিছুতে খুব বেশি হলুদ ব্যবহার করা ঠিক নয়।  তবে স্কটিশ টিকটক ব্যবহারকারী লরেন রেনি এই কথা  সম্ভবত জানতেন না এবং জিনিসগুলি তার অনুকূলে যায় নি। লরেন তার ত্বকের ব্রেকআউট বন্ধ করার জন্য ঘরে তৈরি হলুদের ফেসপ্যাক বেছে নিয়েছিলেন।

 

মিশ্রণটি ধীরে ধীরে তার মুখের উপর দাগ রেখে যাচ্ছিল। এবং এক ঝলমলে দেবীর চেয়ে সিম্পসন চরিত্রের মতো দেখতে তাকে দেখতে লাগছিল৷” আমার মুখের সমস্ত অংশে ব্রেকআউট হয়েছিল৷ মূলত আমার ঠোঁটের কাছে, এবং সত্যিই আমি এগুলি এত খারাপ করে ফেলতে চাই না,” তিনি তার ১৭,০০০ অনুগামীকে বলেছেন।

 

তাই সে তার ত্বক কীভাবে সুস্থ সুন্দর করা যায় তাই নিয়ে গবেষণা করতে শুরু করলেন৷ তারপর ডিয়াইওয়াই  হলুদ ফেস মাস্কটি দেখতে পান৷ ঘরেই এই ফেস প্যাক তৈরি করা যায়৷ তিনি তখনই রান্নাঘরে গিয়ে প্যাক তৈরি করে নিয়েছিলেন।  এখনই তৈরি করতে পারি।  এটি ব্রণ, চুলকানি এবং ত্বকের জ্বলনে  উপকার দিয়েছে৷ তিনি উপকৃত হয়েছেন৷ তিনি ভিডিওতে বলেছিলেন।

 

তিনি লক্ষ্য করলেন, বেশি পরিমাণে মিশ্রণটি তার হাতে লাগায়,হাত হলুদ বর্ণে পরিণত হতে শুরু করেছে।

“আমি এটি কেবল আমার মুখে প্রয়োগ করেছি এবং আমার পুরো হাতটি হলুদ হয়ে গেছে I এটা ব্যবহার করে আমার মুখ চাঁদের মত সুন্দর হয়ে যাচ্ছে৷”

মালদ্বীপ বা মরিশাস নয়: এটি মেঘালয়ের কোলে অবস্থিত এশিয়ার স্বচ্ছতম লেক

তিনি বলেন যে,  ফেস মাস্ক লাগানোর পর তার বাবার সাথে শপিং করতে যাওয়ার কথা ছিল এবং সে  আশা করেছিল যে মেকআপটি এই হলুদ দাগ ঢেকে  দেবে৷ কিন্তু মেকাপ এই হলুদের রঙ  ঢাকতে পারেনি তেমন৷

একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছিলেন, ‘লোকেরা যখন বলে যে তারা তাদের ত্বক উজ্জ্বল  করতে চায়,আমি মনে করি না যে তারা এভাবে পারবেন। জানানোর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ‘, অন্য একজন বলেছিলেন,’ আপনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে গিয়েছিলেন,  আমি হলুদ জ্বরে মারা যাচ্ছি ‘।তিনি যদিও আক্ষরিক সোনার আভা পেয়েছিলেন।