সমস্ত জল্পনার অবসান! তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন নাকি নিজেই জানালেন শান্তনু ঠাকুর

বিধানসভা নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে ততো রাজনৈতিক মহলে একাধিক শোরগোল দেখা দিতে শুরু করেছে। নির্বাচনের আগে কে কোন দলে যোগদান করতে চলেছে তা নিয়ে আলোচনা বেশ জমে উঠেছে।আর বিগত কয়েকদিন ধরে যেভাবে বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর কে নিয়ে রাজনৈতিক মহল উত্তপ্ত হয়েছে তা আর বলার দায় রাখে না। বেশ কয়েকদিন শান্তনু ঠাকুর চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছেন‌ রাজনৈতিক মহলে যেখানে শোনা যাচ্ছিল তিনি বিজেপিতে থাকছেন না বরং তৃণমূলে যোগদান করতে চলেছেন আগামী দিনে।

 

 

 

 

তবে এবার সেই সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটালেন তিনি নিজেই। আজ হুগলির চুঁচুড়ার সুকান্তনগরের মাঠে মতুয়া মহাসঙ্ঘের জনসভা থেকে তিনি জানিয়ে দিলেন আগামী দিনে কী করতে চলেছেন।এই দিন শান্তনু ঠাকুর জানান কেন্দ্রের তরফের যে নাগরিকত্ব সংশোধন আইন আনা হবে আগামী দিনে তার পক্ষে রয়েছি আমি।তাছাড়া লোকসভাতে আমি CAAর জন্য ভোট দিয়ে বিল পাস করেছি, তাহলে কীভাবে যারা এই আইনের বিরোধিতা করে আসছে তারা এখন আমাকে নিজেদের দলে টানতে চাইছে।

 

তবে এখানেই শেষ নয় এরপরও তিনি জানান আমি স্পষ্ট জানিয়ে দিচ্ছি দেশের জনগণকে যারা 1971 সালের পর ভারতে এসেছেন তাদের ভারতীয় নাগরিকত্ব পাইয়ে দেওয়ার জন্য আমি আন্দোলন করে এসেছি। তাই যারা এই আইনের বিরোধিতা করছে তাদের পক্ষে যাওয়ার কথা বা প্রশ্ন আসে কী করে! তিনি বলেন আগে তারা কেন্দ্রের CAA কে সমর্থন করুক এবং রাজ্যে CAA লাগু করবে বলুক, তখন আমি ভেবে দেখবো কী করা যায়।

 

 

অন্যদিকে শান্তনু ঠাকুর এইদিনের জনসভা থেকেই কেন্দ্রের কাছে প্রশ্ন করে জানতে চান রাজ্যে কখন CAA লাগু করা হবে এবং তাদের জন্য এখনো পর্যন্ত এই আইন লাগু করা হয়নি। শুধুমাত্র কিছু সংখ্যক সংখ্যালঘু রাজ্যে হিংসা ছড়িয়ে ভাবে যে তারা এই CAA লাগু করতে দেবে না তাহলে আমরা নমঃশূদ্র কম নেই এখানে বলে দাবি করেন তিনি। অন্যদিকে কেন্দ্র সরকার কে আশ্বস্ত করে তিনি জানান অশান্তি হলে সেটার প্রতিরোধ করার ক্ষমতা আমাদের কাছে আছে আপনারা এগিয়ে যান।