এই ব্যাঙ্ক প্রবীণ নাগরিকদের ফিক্সড ডিপোজিটে সুদ দিচ্ছে ১০.৯২%

একটা সময় ছিল যখন মানুষ টাকা জমানো মানেই ব্যাঙ্কে ফিক্সড ডিপোজিট করতে চাইত৷ ভালো রিটার্ন পাওয়া যেত। কিন্তু এখন ফিক্সড ডিপোজিটের রিটার্ন পাওয়া আসলে সোনার পাথরবাটি তে পরিণত হচ্ছে। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে রিজার্ভ ব্যাংক যখনই রেপো রেট কমিয়ে দিচ্ছে তখনই টান পড়ছে মধ্যবিত্তের আয়ে৷ এফডিতে সুদ কমে যাচ্ছে। ফলে প্রবীণ নাগরিকদের সমস্যায় পড়ছেন।

২০২০ সালের ১ জানুয়ারি স্টেট ব্যাংক ৭ দিন থেকে সর্বোচ্চ ১০ বছর মেয়াদের ফিক্স ডিপোজিট সাধারণ নাগরিকদের 4.50 শতাংশ থেকে 6.10 শতাংশ হারে সুদ দিচ্ছিল। দফায় দফায় সুদের হার কমে এখন তা দাঁড়িয়েছে 2.90 থেকে 5.40 শতাংশ হারে সুদ দিচ্ছে। প্রবীণ নাগরিকদের ক্ষেত্রে প্রায় প্রত্যেকটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের মতো স্টেট ব্যাংক সাধারণ নাগরিকদের তুলনায় বেশি সুদ দিচ্ছে। কিন্তু তার পরিমাণ সামান্যই।

ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধির এই বাজারে প্রবীণ নাগরিকদের জীবন যাপন অনিশ্চিত হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাধারণ মানুষ ভাবেন, বেশি সময়ের জন্য এফডি করা হলে বেশি সুদ পাওয়া যাবে। কিন্তু তা ঠিক নয়। কোন ব্যাংকে আপনি কত দিনের জন্য টাকা জমা রাখছেন তার ওপরেই নির্ভর করে ফিক্স ডিপোজিট এর রিটার্ন এর পরিমাণ।

ট্যাবের বদলে টাকা পেতে হলে তিন দিনের মধ্যে দিতে হবে অ্যাকাউন্ট নম্বর

কারণ প্রত্যেক ব্যাংকে গ্রাহকদের সমানভাবে সুদ দেওয়া হয় না। এই বিষয় সরকারি ব্যাঙ্ককে পিছনে ফেলে দিয়েছে বেসরকারি ব্যাংক। বেসরকারি ব্যাঙ্কগুলোতে আকর্ষণীয় রিটার্ন পাওয়া যায়। তার মধ্যে সেরা তালিকায় ডিসিবি ব্যাঙ্ক৷ নতুন সুদের হারে বেসরকারি ব্যাংক প্রবীণ নাগরিকদের ৬০ মাস থেকে ১২০ মাসের মধ্যে ফিক্স ডিপোজিটে বার্ষিক ১০.৯২% হারে রিটার্ন দিচ্ছে। তবে প্রবীণ নাগরিকদের ক্ষেত্রে 5 বছর বা তার বেশি মেয়েদের আমানতে ডি সি বি ব্যাংক ত্রৈমাসিক চক্রবৃদ্ধি হারে সুদের পরিমাণ ৭.৪৫ শতাংশ যা সরকারি ব্যাঙ্কের থেকে অনেকেই বেশি।