আপনার অজান্তে নকল ওষুধ খাচ্ছেন না তো? জেনে নিন কীভাবে আসল নকল ওষুধের মধ্যে পার্থক্য বুঝবেন…

ভারতের এমন কোনো বাড়ি নেই বললেই চলে যেখানে প্রায় প্রতিমাসেই কিছু না কিছু ওষুধ কেনা হয় না। আবার অনেক মানুষ এই ওষুধের ওপরই ভার করে বেঁচে থাকেন। তাই নিয়মিত স্থানীয় দোকান থেকে কিংবা অনলাইনের মাধ্যমে ওষুধ-পত্র কেনেন এইসব মানুষেরা। তবে ওইসব ঔষুধ যে নকল না আসল সে কথা কিভাবে বুঝবেন? কখনো কী একথা ভেবে দেখেছেন চিকিৎসক বা ওষুধের কারবারিরা ছাড়া সাধারণ মানুষেরা কীভাবে এই খাঁটি ওষুধ চিনতে পারবেন?

আদৌ কি চিনতে পারা সম্ভব সাধারণ মানুষের পক্ষে? হ্যাঁ চেনা সম্ভব।বিশেষজ্ঞদের এক বিশেষ দল এবার জাল বা নকল- ওষুধ চিনে নেওয়ার বেশ কয়েকটি উপায় দিয়েছেন যার মাধ্যমে আসল নকল ওষুধের মধ্যে পার্থক্য করতে পারবেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘হু’ এর নির্দেশিকা অনুযায়ী, জাল বা নকল ওষুধ চেনার উপায়গুলো জেনে নেওয়া যাক…
প্রথমত, সিরাপ বা টনিকের মতো বোতলজাত ওষুধের ক্ষেত্রে বোতলের সিলভা প্যাকেজিংয়ের কোথাও কোনো গলদ তা সে আকার-আকৃতি, মোড়কের রং,বানান ইত্যাদি দেখে নিতে হবে। তা ঔষধ কেনার সময় প্রথমেই দেখে নিন।

এক্ষেত্রে কোনো রকম পার্থক্য বা সন্দেহজনক কিছু পড়লেই সেই ওষুধ বিক্রেতা কে তৎক্ষণাৎ ফিরিয়ে দিন।
দ্বিতীয়তঃ এবার আসছে বড়ি, ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল জাতীয় ওষুধের ক্ষেত্রে চেনার প্রক্রিয়া। এক্ষেত্রে নজর রাখবেন ওষুধে কোন অংশ ভাঙ্গা রয়েছে কিনা স্বচ্ছ ক্যাপসুলের ভিতরে থাকা ওষুধের পরিমাণ আগের তুলনায় কম বেশি আছে কিনা। তার সাথে সাথে এটাও দেখে নিতে হবে ওষুধের কোন ফারাক আছে কিনা। এক্ষেত্রেও ওষুধের মোড়কের আকার-আকৃতি, বানান ইত্যাদি সব ঠিক আছে কীনা ভাল করে দেখে নিতে হবে।

তৃতীয়তঃ যে কোন ওষুধের খাপের গায়ে তার ইউনিক অথেন্টিকেশন কোড লেখা থাকে। এক্ষেত্রে ওষুধ কেনার পর কোন রকম সন্দেহ লাগলে সেই ওষুধের ইউনিকোড ইন্ডিকেশন কোড লিখে 9901099010 নম্বরে এসএমএস করুন। এক্ষেত্রে ওষুধটি যেখান থেকে তৈরি করা হয়েছে সেখান থেকে আপনি একটি অথেন্টিকেশন মেসেজ পেয়ে যাবেন। তাছাড়াও স্বাভাবিক ভাবেও আপনি ওষুধের যাচাই করতে পারেন এক্ষেত্রে দেখবেন ওষুধ খাওয়ার পর যদি আপনার শরীর অসুস্থ শুরু হয় কিংবা এলার্জি হয় তাহলে দেরি না করে সেই ওষুধ নিয়ে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এমন কী প্রয়োজন পড়লে সেই ওষুধটি চিকিৎসককে দেখান।

Related Articles

Close