দেশনতুন খবরবিশেষব্যবসা

দ্বিতীয় দফার লকডাউনের মাঝেই সচল হচ্ছে বেশ কয়েকটি ক্ষেত্র,কেন্দ্রের তরফ থেকে প্রকাশিত হল তালিকা..

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ডাকে জারি রয়েছে দ্বিতীয় দফার লকডাউন, আর এই দ্বিতীয় লকডাউন এর মধ্যে এপ্রিলের 20 তারিখের পর থেকে বিশেষ কয়েকটি ক্ষেত্রকে কাজের আওতায় আনা হবে এমনটাই জানানো হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তরফ থেকে এর আগেও। কারণ এইভাবে যদি দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য শিল্পকর্ম আটকে থাকে তাহলে দেশের অর্থনীতি একেবারে জলের তলায় চলে যাবে তাই দেশের অর্থনীতির কথা ভেবেই কৃষিকার্য সহ বেশ কয়েকটি বিভাগের কাজ চালু করার সম্মতি জানানো হয়েছে ইতিমধ্যে কেন্দ্রের তরফ থেকে।আর এই যে কয়েকটি ক্ষেত্রে কাজ চালু করা কথা জানানো হয়েছে সেটি আগামী কুড়ি এপ্রিলের পর থেকে শুরু করা হবে।

তবে কোন কোন ক্ষেত্রে চালু থাকবে কাজ তার তালিকা প্রকাশ করল কেন্দ্র। আর এই তালিকাতে যোগ হয়েছে বিশেষ কয়েকটি ক্ষেত্র যদিও এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছেড়ে দেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারের উপর। প্রথমে ঠিক ছিল কৃষিকার্য কে সচল রাখা হবে এক্ষেত্রে কৃষিজ সমস্ত পণ্য কেনাবেচার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে না তাও স্থির করা হয়েছিল আর গত শনিবার দিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এর বাসভবনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রিগোষ্ঠীর একটি চার ঘণ্টার বৈঠক করার পর নতুন তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফ থেকে যেখানে কৃষি ক্ষেত্রের পাশাপাশি পালন বিভাগ ও সচল রাখা হবে এমনটাই জানানো হয়েছে।

1) জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে এবার চা-কফি রাবার বাগানে কাজ শুরু করা হবে। আর এক্ষেত্রে কাজ করবেন 50% কর্মীরা।এর পাশাপাশি কাজে ফিরিয়ে আনা হবে পশুপালন ক্ষেত্র, দেশের জলসীমায় চালু করা হবে মাছ ধরা।

2) আদিবাসী এলাকায় বাদাম, নারকেল, জাতীয় অরণ্যের সম্পদ সংগ্রহে কোনো প্রকার বাধা থাকছে না।

3) এর পাশাপাশি গ্রাম অঞ্চল গুলিকে জল বিদ্যুৎ সরবরাহের কোন প্রকার বাধা থাকবে না।

4) শুরু করা হবে অপটিক্যাল ফাইবার বসানো কাজ এবং টেলিকম ক্ষেত্রকে সচল রাখা হবে।

5) পাশাপাশি শুরু করা হবে অনলাইন সমস্ত ব্যবসা- বাণিজ্য গুলিকে অর্থাৎ বিভিন্ন অনলাইন বাণিজ্য সংস্থাকে ছাড় দেওয়া হয়েছে তবে তা অনুমতি সাপেক্ষে।

6) এর পাশাপাশি ন্যূনতম কর্মী এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নন ব্যাংকিং সেক্টর ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের মতো প্রয়োজনীয় কাজগুলোকে ফিরিয়ে আনা হবে।

7) আর এর পাশাপাশি বেসরকারি কিছু অফিস গুলোকে চালু করা যাবে, তবে এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম লাগু করা হবে এর জন্য।

তবে এক্ষেত্রে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যেসব এলাকা গুলিতে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে সেই এলাকাগুলিতে এখন কোন প্রকার ছাড় পাওয়া যাবে না। প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী জানতে পারা গেছে এই যে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত করা হয়েছিল সেখানে ছিলেন 13 জনের মতো মন্ত্রী, তাদের মধ্যে বেশিভাগই লকডাউনের জেরে দেশের অর্থনৈতিক ক্ষতির বিষয় গুলি তুলে ধরেন।

এরপর টানা চার ঘণ্টা কথাবার্তার মাধ্যমে তারা এক সিদ্ধান্ত স্থির করেন যেখানে কোন কোন ক্ষেত্রে এই লকডাউনের সময় ছাড় মিলবে সেই বিষয়ে। যদিও কেন্দ্রের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এখনও পর্যন্ত এই বিষয় নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সেই রাজ্য সরকার গুলি। যে জায়গা গুলিতে এই ছাড়গুলির ব্যবস্থা করা হবে সেই জায়গা গুলিতে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পরই কোন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্য সরকার গুলি।

Related Articles

Back to top button