কবে থেকে স্বাভাবিক হবে পঠন-পাঠন, রাজ্যে স্কুল- কলেজ খোলা নিয়ে বড়োসড়ো সিদ্ধান্ত শিক্ষামন্ত্রীর

মার্চ মাস থেকে দীর্ঘ লকডাউনে বন্ধ স্কুল কলেজ। অনলাইনে ক্লাস করানো শুরু করলেও বহু ছাত্র-ছাত্রীর নানান রকম অসুবিধায় পড়েছে। কারো হয়তো প্রযুক্তিগত সমস্যা, কেউ আবার আর্থিক সমস্যার কারণে ইন্টারনেট রিচার্জ করতে পারছে না৷ প্রায় 10 মাস পেরিয়ে গেলেও স্কুল খোলার কোনো দিন পর এখনো স্থির করতে পারেনি রাজ্য সরকার।

যদিও শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, সমস্ত কিছু ঠিক ঠাক থাকলে দ্রুত স্কুল খুলে পঠন-পাঠনের ব্যবস্থা করা যাবে। এর জন্য স্কুলগুলোকে আগেই স্যানিটাইজ করার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।

স্কুল কলেজ খোলার জন্য বেশ কিছু ছাত্র সংগঠন রাস্তায় নেমে সরব প্রতিবাদ করেছিল। তাদের দাবি ছিল, ট্রেন বাস চলছে, তাহলে শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে এই অনিয়ম কেন?

হার্ট অ্যাটাকের এক মাস আগে থেকেই শরীরের দেখা মেলে এই সাতটি লক্ষণ

শিক্ষকদের একাংশ এই মুহূর্তে ছাত্রদের স্কুলে পঠন-পাঠনের কাজ শুরু করতে চাইছেন৷ যে সব এলাকায় নেটওয়ার্ক খুবই দুর্বল, মোবাইল কম্পিউটার এর মত প্রযুক্তিগত সুবিধা পাওয়া যায় না। সেই সমস্ত পড়ুয়ারা দীর্ঘ 10 মাস ধরে পঠন-পাঠন থেকে বঞ্চিত।

এর মধ্যেই রাজ্য সরকার মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার সূচি ঘোষণা করেছেন। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের 10 হাজার টাকা করে দেওয়া হচ্ছে৷ তাদের প্রয়োজনীয় ট্যাব কেনার জন্য৷ যাতে তারা অনলাইনে ক্লাস করে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে।

কিন্তু এই মুহূর্তে পঠন-পাঠন প্রক্রিয়া শুরু হলে কি কি গাইডলাইন মানতে হবে তার রূপরেখা দিয়েছে শিক্ষা দপ্তর। একটি ঘরে কি কি সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে? সেই সব বিষয় ইতিমধ্যেই আলাপ-আলোচনা করে খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। শুক্রবার শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যের পর স্কুল খোলা নিয়ে জল্পনা বেড়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য স্কুলের বিশেষ ক্লাসের ব্যবস্থা করা যেতে পারে বলে মনে করছেন শিক্ষকদের একাংশ।