সুখবর! রাজ্যে স্কুল খোলা নিয়ে বড় ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর, জানুন কবে থেকে খুলছে রাজ্যজুড়ে স্কুল

করোনা আবহে প্রায় ১০-১১ মাস বন্ধ স্কুল। অনলাইনে পঠন-পাঠন চালু হলেও স্কুল খোলেনি। এই পরিস্থিতিতে কবে  স্কুল খুকবে?  স্কুল খুলে পঠন-পাঠন কবে স্বাভাবিক হবে? কবে বিদ্যালয় অঙ্গনে ফিরবে পড়ুয়ারা? উঠছিল এইসব প্রশ্ন। মঙ্গলবার তারই ইঙ্গিত দিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে পুনরায় স্কুল খুলতে পারে। স্বাস্থ্য বিধি মেনেই নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত স্কুল খোলার চিন্তা-ভাবনা করছে রাজ্য সরকার।

 

তবে, অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত এখনই স্কুল শুরু করার কোনও ভাবনা সরকারের নেই।  এ কথাও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।  নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত স্কুল খোলার ক্ষেত্রে অভিভাবকদের অনুমতি নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

দলীয় বৈঠকের ফাঁকে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘আপাতত নবম-দশম-একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেনির ক্লাস শুরু করার কথা ভাবা হয়েছে। ধাপে ধাপে অন্যান্য সব ক্লাসেরও পড়া-লেখা চালু হবে। প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসও হবে।’ শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, বাংলায় সহ গোটা দেশেই করোনা সংক্রমণের হার কমছে। কিন্তু করোনা  নির্মূল হয়নি এখনো৷  তাই ছোটদের স্কুলে আনার ক্ষেত্রে আরও একটু সময়  নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। ছাত্রছাত্রীরা যাতে আক্রান্ত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ইতিমধ্যেই স্কুলগুলি স্যানিটাইজ করার কাজ শুরু করেছে সরকার।

তাড়াহুড়ো করে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে রাজি নয় রাজ্য সরকার।  আরও আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেছেন, ‘কোনও স্কুল না চাইলে জোর করা হবে না। কারোর কিছু হয়ে গেলে কে দায়িত্ব নেবে?’

ঝড়ের গতিকেও টেক্কা দিবে Airtel 5G! মাত্র কয়েক সেকেন্ডে ডাউনলোড হবে 1GB ফাইল

স্বাস্থ্য বিধি মেনে স্কুল চালুর বিষয়ে ইতিমধ্যেই একটি গাইড লাইন তৈরি করছেন শিক্ষা দফতর। এই গাইড লাইন নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ তাদের ও অভিভাবকদের মতামত জানতে চেয়েছেন৷ এর পরই স্কুল চালুর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে বলে দাবি শিক্ষামন্ত্রীর। করোনা পরিস্থিতি তে এর আগেও একাধিকবার স্কুল খোলার বিষয় ভাবনা চিন্তার কথা জানিয়েছেন পার্থবাবু।

লকডাউনের জেরে বিগত ১১ মাস রাজ্যের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই বন্ধ। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংগঠন সরকারের কাছে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার দাবি জানিয়েছে। এই বিষয় আলোচনার জন্য বুধবার রাজ্যের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর বৈঠক রয়েছে।