Categories
নতুন খবর বিশেষ

CBI এর জেরার মুখে চিৎকার করে ওঠেন রিয়া চক্রবর্তী, একাধিক প্রশ্নের উত্তরে বলেন “জানি না”

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু ঘটনায় CBI এর তরফে টানা তিন দিন জিজ্ঞাসাবাদের পরও রিয়া চক্রবর্তী এবং তার ভাই সৌভিক চক্রবর্তীর বয়ানে সন্তুষ্ট নন। বলে রাখি এই দিন রিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন আইএসপি অফিসার নূপুর প্রসাদ যিনি কিনা এখন সুশান্ত সিং রাজপুত মৃত্যু ঘটনায় CBI টিমের নেতৃত্ব রয়েছেন।গত শনিবার দিন CBI এর তরফ থেকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় বেশ কিছু এমন প্রশ্ন করা হয়েছিল যার উত্তর দিতে রিয়া চক্রবর্তী ঘাবড়ে যান, গ্রেফতার হয়ে যাবার আতঙ্কে ভুগছে থাকেন তিনি, এমন কী বেশ কিছু প্রশ্নের মুখে ঘেমেও যান, টানা 7 ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাকে।

 

সূত্রের খবর এমনকি কিছু প্রশ্নের জিজ্ঞাসাবাদ করাতে চিৎকার করে উঠেন রিয়া। তবে কী এমন প্রশ্ন করা হয়েছিল যার জন্য তিনি চিৎকার করে উঠেন। সূত্রের খবর যে প্রশ্ন গুলি করা হয়েছিল সেগুলি হল…আপনি যদি বিশ্বাস করেন যে আপনার চলে যাওয়ার পরে সুশান্ত আত্মহত্যার মত পথ বেছে নিয়েছিল তাহলে এই ভাবনার কথা কাউকে কী বলবেন বলে ভেবেছিলেন? যদি ভেবে থাকেন তাহলে কাকে বলেছিলেন সেকথা? সুশান্তের মৃত্যুর জন্য তিনি নিজেকে কতটা দায়ী মনে করেন? সুশান্তের আকস্মিক মৃত্যু কী আপনার অসুখের কারণ ছিল? সুশান্ত কখনো আপনাকে বলেছিল কী তিনি নিজেকে শেষ করতে চান? এইসব প্রশ্নের উত্তর রিয়া স্পষ্টভাবে দিতে পারেনি। যদিও এক্ষেত্রে সিবিআই অধিকারীরা রিয়াকে এই সকল প্রশ্নগুলি করার পর সময় দিয়েছিলেন অনেকক্ষণ উত্তর দেবার জন্য।

তবে শুধু তাই নয় এছাড়াও রিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় বলা হয়েছিল তিনি যখন সুশান্তের সঙ্গে লিভ ইন সম্পর্ক ছিলেন স্বামী-স্ত্রীর মতোন তখন সুশান্তের মানসিক অবস্থা সম্পর্কে তিনি ওয়াকিবহাল ছিলেন। আর তিনি যদি নির্দোষ হয়ে থাকেন তাহলে কেন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা পলিগ্রাফ টেস্টের জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন না? এইদিন নুপুর প্রসাদ এর তরফ থেকে বলা হয় আমরা যদি আপনাকে গ্রেফতার করে তাহলে আপনি কী নিজেকে সঠিক প্রমাণ করতে পারবেন? তাহলে কেন তদন্তের ক্ষেত্রে সাহায্য করছেন না আমাদের? আর তারপরই চিৎকার করে উঠেন রিয়া চক্রবর্তী।

অন্যদিকে, এরই মধ্যে সুশান্ত মামলায় ‘Darknet’ তথ্য উঠে আসছে। যেখানে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (NCB) সূত্রে খবর, রিয়ার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট থেকে CBD অয়েল, MDMA, গাঁজা, হ্যাশ, মারিজুয়ানার মতো মাদকের নাম উঠে এসেছে। মনে করা হচ্ছে, মাদক গুলি ‘Darknet’-এর মাধ্যমেই আনানো হতো। ডার্কনেটের মাধ্যমে ভুয়ো আইডি তৈরি করে অপরাধ জগতের বিভিন্ন সরঞ্জাম আনানো যেতে পারে। এই ডার্কনেটের মাধ্যমেই বহু অবৈধ ব্যবসাও চালানো হয়। তেমন কিছু সুশান্ত মামলায় হয়েছে কীনা তা খতিয়ে দেখছেন NCB-র আধিকারিকরা।