জনসমাগম রুখতে দুর্গাপূজা পর্যন্ত কড়া থাকবে বিধি-নিষেধ! রাজ্যগুলিকে চিঠি কেন্দ্রের

করোনার প্রথম ও দ্বিতীয় ঢেউয়ে জেরবার হয়ে উঠেছে গোটা ভারতবর্ষ। চলতি মাসের শেষের দিকে ভারতবর্ষের উপর আছে পড়তে পারে করোনার তৃতীয় ঢেউ। এবার করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কার মধ্যেই শুরু হতে চলেছে বিভিন্ন বড় বড় উৎসব। এবার উৎসবের কথা মাথায় রেখেই বিভিন্ন রাজ্যগুলিকে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। এই প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরামর্শ হল উৎসবকে মাথায় রেখে স্থানীয়স্তরে বিধিনিষেধ মেনে গণসমাবেশ করা হোক।

১৯ আগস্ট থেকে শুরু হচ্ছে উৎসবের পালা। ওই দিন হল মহররম তারপর আছে জন্মাষ্টমী, গণেশ চতুর্থী, বিশ্বকর্মা পূজো এবং অক্টোবরে দুর্গাপুজো। গোটা ভারতবর্ষে জুড়ে সেই দীপাবলি পর্যন্ত চলবে নানা উৎসব। আর এই উৎসবের সময় বিধিনিষেধ না মেনে যদি মানুষের মানুষের মেলামেশা করা হয় তবে কোভিড পরিস্থিতি কিন্তু ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করবে।

এবার উৎসবের কথা মাথায় রেখে সমস্ত রাজ্য কে চিঠি দিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী কে সচিব রাজেশ ভূষণ। চিঠিতে এই স্বাস্থ্যসচিব লিখেছেন ‘উৎসবে জনসমাগম নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ এবং ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল। কোভিড নিয়ন্ত্রণে পরীক্ষা,চিহ্নিতকরণ, চিকিৎসা, টিকাকরণ ও কোভিড-আচরণ সমূহ – এই ৫ কৌশল কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। তাতে কোনওরকম শিথিলতা এ পর্যন্ত কোভিড অতিমারি নিয়ন্ত্রণে দেশ যতখানি এগিয়েছে, তা অনেকখানি হারিয়ে ফেলবে।’

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ এখনো ভারতবর্ষের বুক থেকে মুছে যায়নি। এখন মানুষের হিত কম্পনের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ডেল্টা শ্রেণীর ভাইরাস। পর্যন্ত ৮টি রাজ্যে ‘আর ফ্যাক্টর’ (R-Factor) ১-র উপরে। এতে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে ভাইরাস এখনও কতটা সংক্রামক। পশ্চিমবঙ্গে ‘আর ফ্যাক্টর’ এখন ১। আর এই পরিস্থিতির মধ্যেই দুর্গাপূজা এসে পড়েছে। গতবার হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে দুর্গা পুজো হয়েছিল। এবার ক্লাবগুলো দূর্গা পূজার ব্যাপারে বিধি নিষেধ তালিকা তৈরি করেছে। তবে সবই নির্ভর করছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির উপর। তিনি যেভাবে নির্দেশ দেবেন তেমনভাবেই পশ্চিমবঙ্গে পালিত হবে দুর্গাপূজা।