এখন বাড়িতে বসেই রিনিউ করতে পারবেন ড্রাইভিং লাইসেন্স যেতে হবে না কোথাও, বিস্তারিত জানতে

এখন থেকে বাড়িতে বসেই আপনি আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স রিনিউ করতে পারবেন।  করোনা সংক্রমনের জেরে আমাদের সকলকেই এখন ভিড় এড়িয়ে চলতে হচ্ছে।সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হচ্ছে।  সুস্থ থাকার জন্য আমাদের প্রত্যেককে সচেতন এবং সতর্ক হয়ে পথ চলতে হচ্ছে।  দীর্ঘদিন লকডাউন থাকলেও বর্তমানে মানুষকে কাজে ফিরতে হচ্ছে।  তাই ড্রাইভিং লাইসেন্স রিনিউ করা অত্যন্ত জরুরী হয়ে পড়েছে।  এই পরিস্থিতিতে দেশের মানুষকে সুরক্ষিত রাখতে এবং জরুরী পরিষেবা প্রদান করতে সরকার প্রতিদিনই নানারকম পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন।

 

ব্যাংক থেকে অফিস বেশিরভাগ কাজই এখন যাতে আপনি বাড়ি থেকে বসে অনলাইনেই করে নিতে পারেন,  যাতে আপনাকে ভিড়ে লাইন দিতে না হয় সেই চেষ্টা করা হচ্ছে।কোন নির্দিষ্ট শ্রেণীর মোটরযান চালানোর জন্য কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে গাড়ি চালানোর অনুমতি নিতে হয়৷  ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালানো আইনত অপরাধ৷  যে লাইসেন্স দিয়ে একজন চালক বেতনভোগী কর্মচারী হিসেবে কোন মোটরযান চালিয়ে থাকেন তাকে পেশাদার লাইসেন্স বলে।  এই লাইসেন্সের মেয়াদ ৫ বছর এবং লাইসেন্স পেতে পুলিশ ভেরিকেশন রিপোর্ট প্র‍য়োজন।

যে ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে কোন চালককে  মোটরযান চালানোর কর্তৃত্ব জন্য প্রদান করা হয় তাকে অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স বলে। এ লাইসেন্সের মেয়াদ ১০ বছর। অপেশাদার লাইসেন্স পেতে পুলিশ ভেরিফিকেশন প্র‍য়োজন হয়না। এখন বাড়িতে বসেই লাইসেন্স রিনিউ করাতে পারবেন৷ ড্রাইভিং লাইসেন্স এর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ৩০ দিনের সময় দেওয়া হয় রিনিউ করার জন্য ৷ ৩০ দিন পর রিনিউ করলে ফাইন দিতে হবে ৷

দুঃসময় কাটছে না মুকেশ আম্বানির! ধনী ব্যক্তিদের তালিকা থেকে আরও একধাপ নীচে রিলায়েন্স কর্তা

এর জন্য প্রথমেই আপনাকে প্রথমে পরিবহন বিভাগের ওয়েবসাইট parivahan.gov.in এ লগইন করতে হবে। এখানে ড্রাইভিং লাইসেন্স সংক্রান্ত পরিষেবার কথা  যে জায়াগায়  লেখা আছে সেখানে ক্লিক করতে হবে। এরপর আবেদনকারীকে ডিএল পরিষেবায় ক্লিক করতে হবে। এখানে আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্সের নম্বরের সঙ্গে জরুরি তথ্য দিতে হবে। সমস্ত জরুরি ডকুমেন্ট আপলোড করতে হবে। পরিচয়ের প্রমাণপত্র অবশ্যই সঙ্গে রাখবেন৷ নিকটবর্তী আরটিও অফিসে গিয়ে স্লট বুকিং করার জন্য অনলাইনে পেমেন্ট করতে হবে। আরটিও কার্যালয়ে আপনার বায়োমেট্রিক তথ্যাদি যাচাই করা হবে। এরপর আপনার লাইসেন্স রিনিউ হয়ে যাবে।

রিনিউ করার জন্য কী কী ডকুমেন্ট আপলোড করতে হবে দেখে নিনি৷ প্রথমে ফর্ম ডি ডাউনলোড করবেন৷ তারপর ফর্ম ফিলআপ করতে হবে। ফিলাপ করার পর ফর্ম  স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে। ৪০ বছরের বেশি বয়স হলে ডাক্তারের কাছ থেকে ফর্ম ১এ ফিলআপ করাতে হবে।
অরিজিনাল এক্সপায়র্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স, পাসপোর্ট সাইজ ছবি ও আধার কার্ডের ছবি আপলোড করতে হবে।