অতিরিক্ত ছয় পয়সা লাগলেও জিওতে ক্রমশ বাড়ছে গ্রাহক সংখ্যা, পিছিয়ে রয়েছে এয়ারটেল ভোডাফোন এর গ্রাহক সংখ্যা..

প্রতিযোগিতা কতটা বেড়েছে তা আমরা সবাই খুব ভালোভাবেই বুঝতে পারছি। টেলিকম কোম্পানি গুলি ভারতের মাটিতে একে অপরকে একচুল জায়গাও ছাড়তে নারাজ। তবে দেশের অন্যান্য টেলিকম সেক্টরের তুলনায় জিও যে এগিয়ে রয়েছে তা বলা বাঞ্ছনীয়।এই টেলিকম ময়দানের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে এয়ারটেল ভোডাফোন কে পিছনে ফেলে এগিয়ে রয়েছে জিও।এমনকি গত বছর 2019 এ অক্টোবর মাসে প্রায় 91 লাখেরও বেশি নতুন সাবস্ক্রাইবার যুক্ত হয়েছে জিওর নেটওয়ার্কে।

যার ফলে জিওর গ্রাহক সংখ্যা দিয়ে পৌঁছেছিল 36.45 কোটিতে।আর তারপর টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া অর্থাৎ ট্রাই-এর তরফ থেকে জানানো হয় ওই মাসে বিএসএনএলের রয়েছে 2.8 লাখ সাবস্ক্রাইবার এবং অন্যদিকে ভোডাফোন এয়ারটেলে যুক্ত হয়েছে 1.8 ও 8 লাখ গ্ৰাহক‌। যেখানে ওই মাসে রিলায়েন্স জিওর গ্রোথ রেট দেখা দেয় 2.56 শতাংশ, আর সেই মাসে অর্থাৎ অক্টোবর মাসের শেষে বিএসএনএলের গ্ৰোথ রেট পৌঁছে দ্বারায় 0.25 শতাংশ অর্থাৎ 11.72 কোটি টাকায়।

অন্যদিকে ভোডাফোনের গ্ৰোথ রেট পৌঁছে দ্বারায় 0.05 শতাংশ অর্থাৎ প্রায় 37.27 কোটিতে আর এয়ারটেল গ্ৰোথ রেট 0.03 শতাংশ অর্থাৎ 32.56 কোটি টাকা। তবে তারপরে অক্টোবর মাসে জিও তরফ থেকে ঘোষণা করে দেওয়া হয় যে এবার জিও থেকে অন্যান্য নেটওয়ার্কের কল করার জন্য অতিরক্ত 6 পয়সা হিসাবে প্রতি মিনিট চার্জ দিতে হবে গ্রাহকদের। আর তারপরেই অন্যান্য কোম্পানি গুলিও সেই একই কথা ঘোষণা করে তবে কিছুদিন পরেই আবারও ভোডাফোন এয়ারটেল এর তরফ থেকে তাদের পুরনো আনলিমিটেড পরিষেবাটিকে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হয়।

তবে এক্ষেত্রে সমস্ত টেলিকম কোম্পানির গুলি তাদের ট্যারিফ প্ল্যানে বেশ কিছু বড় পরিবর্তন আনে যার ফলে বেড়ে যায় প্ল্যানের দামও। তবে এখানে মজার বিষয় হচ্ছে যে অক্টোবর মাসে এসেছে অনেকটা হবে তাদের মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি করানোর জন্য অনুরোধ করেছে, এই পোর্টেবিলিটির অনুরোধ করা গ্রাহকের সংখ্যা ছিল 4.08 মিলিয়ন তবে টা সেপ্টেম্বর এসেছে সংখ্যা এসে দাঁড়ায় 461.73। তবে যেমনটা আমরা জানি ট্রাই-এর তরফ থেকে মোবাইল পোর্টেবিলিটির ক্ষেত্রে এক বিশেষ পরিবর্তন আনা হয়েছে যেখানে আগে এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে সময় লাগতো 10-15 দিন সেখানে এখন এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়ে যাবে দুই থেকে পাঁচ দিনের মধ্যেই।

Related Articles

Close