অনুমতি ছাড়াই নিয়োগ! বন্ধ করে দেওয়া হলো সমস্ত কর্মীদের বেতন

এবার থেকে আর মুখের কথায় কোন চাকরি হবে না বলে জানিয়ে দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার এই কথার পর এই বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দেওয়া হয় যে, কোন নির্দেশ ছাড়া কোথাও কোন নিয়োগ করা যাবে না। কিন্তু রাজ্য সরকারের এমন বিজ্ঞপ্তি জারি করার পরেও কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রে এমনভাবে নিয়োগ করা হয়েছে বলে অনেকে অভিযোগ করেছেন। বিধানচন্দ্র কৃষি বিদ্যালয় এর অধীনে থাকা একাধিক কৃষিবিজ্ঞান ক্ষেত্রে নিয়োগ করা হয়েছে।

অনুমতি ছাড়া নিয়োগ করার জন্য বেতন বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে আইসিএআর অর্থাৎ এগ্রিকালচার টেকনোলজি অ্যাপ্লিকেশন রিসার্চ ইনস্টিটিউট নিয়োগের স্বজনপোষণের মতন মারাত্মক অভিযোগ উঠে এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয় আধিকারিকদের পরিবারের সদস্যরাই চাকরি পেয়েছে বলে অভিযোগ করেছে অনেকে। ইতিমধ্যেই এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা পৌঁছে গেছে সরকারের কাছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের কর্মচারীদের একটি নির্দিষ্ট বেতন নির্ধারিত করে দিয়েছিল এই সংস্থা।

আপনাদের জানিয়ে দি, রাজ্য সরকারের অনুমোদিত পদগুলির জন্য শুধুমাত্র আইসিএআর অর্থ দেয়। এই বছরের মাঝামাঝি সময়ে কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রের নিয়োগ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এই বিজ্ঞপ্তিতে বলা ছিল সিনিয়র বিজ্ঞানী সহ মোট 10 টি পদের জন্য আবেদন পত্র চাওয়া হয়। এবং এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার পরে নানা মহলে বিতর্ক সৃষ্টি হয় বলে সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর পাওয়া যায়।প্রকাশিত খবর অনুসারে এই সমস্ত পদ গুলি জন্য স্বজন পোষণ করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক আধিকারিকদের আত্মীয়দের চাকরি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। নিয়োগে প্রচন্ড পরিমানে দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ আছে নানান মহল থেকে। এক সূত্র থেকে জানা যায়, কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্র গুলোতে নিয়োগ করার জন্য প্রথমে রাজ্য সরকারের অনুমোদন নিতে হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে তা নেওয়া হয়নি বলে জানানো হয়েছে। আইসিএআর এই খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করে। তদন্ত শেষ হয়ে যাওয়ার পর আইসিএআর বিধানচন্দ্র কৃষি বিদ্যালয় কে একটি চিঠি পাঠায়। ওই চিঠিতে লেখা ছিল যে বিনা অনুমতিতে যে সমস্ত কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে তাদের বেতন বন্ধ করা হল।

Related Articles

Close