এবার বন্ধ হবে রেশন ডিলারদের কারচুপি! বায়োমেট্রিক OTP তে থাকবে রেশন তোলার সমস্ত হিসাব

বর্তমানে আধার কার্ডের পর যে তথ্যটি সবথেকে বেশি সমস্ত মানুষের প্রয়োজন সেটি হল রেশন কার্ড।ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্ট ‘এক দেশ এক রেশন কার্ড’ চালু করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে সমস্ত রাজ্যকে। রাজ্যের সমস্ত রাজ্যবাসীর কাছেই রেশন কার্ড আছে। কিন্তু আদেও কি আপনি তোলেন ? হয়তো সবাই তোলেন না। এদিকে তাদের রেশন প্রতি সপ্তাহেই পৌঁছে যায় ডিলারের গুদামে। সেই অতিরিক্ত রেশন ঘুরপথে বাজারে বিক্রি করার অভিযোগ নতুন কিছু নয়। তবে এই ধরনের অসাধু ডিলারদের দিন এবার শেষ হতে চলেছে।

আধারের সাথে রেশন সংযোগ এবং বায়োমেট্রিক ও OTP র মাধ্যমে এবার সমস্ত হিসাব রাখবে রাজ্য সরকার।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ১০ কোটি রেশন গ্রাহকদের দ্রুত আধারের সাথে রেশন সংযোগের কাজ ইতিমধ্যে সেরে ফেলেছে রাজ্য সরকার। রাজ্য সরকারের এক অধিকারিক জানিয়েছে অনেকই রেশন প্রত্যেক সপ্তাহে তোলেন না। ফলে রেশন কার্ডের সাথে আধার সংযোগের উৎসাহ নাও পেতে পারেন সেই সমস্ত রাজ্যবাসী।

সেক্ষেত্রে রেশনের কার্ড জিপির অফার প্রক্রিয়া কার্যকর নাও হতে পারে তাই সকলকে দ্রুত আধার ও রেশন কার্ডের সংযোগ করার পরামর্শ দিচ্ছেন রাজ্য সরকার।ইতিমধ্যে ৯০ শতাংশ রেশন কার্ড আধার কার্ডের সঙ্গে যোগ হয়ে গেছে। এছাড়াও বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিভিন্ন এলাকায় বা দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে গিয়ে এবং বাংলা সহায়তা কেন্দ্রের মাধ্যমে রেশনের সাথে আধার কার্ডের সংযোগের গতি আনতে চলেছে রাজ্য সরকার।

খাদ্য দপ্তরের আধিকারিকের কথায় এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ভাবে সম্পন্ন হলে ‘ই পস্’ যন্ত্রের মাধ্যমে রেশন তোলা যাবে। সেখানে বায়োমেট্রিক অর্থাৎ আঙ্গুলের ছাপ দিলে তবেই তুলতে পারবেন রেশন। অন্যের রেশন কার্ড থেকে রেশন তুলতে পারবেন না কেউই।যার কার্ড তাকেই এবার থেকে আসতে হবে তবে অনেক সময়ে এই কাজ নাও হতে পারে সেক্ষেত্রে রেজিস্টার মোবাইল নাম্বারে একটি ওটিপি আসবে সেই ওটিপি দেখালেই রেশন পাওয়া যেতে পারে।

রেশন কার্ডের এই পরিবর্তনের ফলে যেমন ভুয়ো কার্ড বা অন্যের কার্ড দিয়ে রেশন তোলা সম্পূর্ণ বন্ধ হবে। তেমনি অতিরিক্ত রেশন দেখিয়ে রেশন ডিলার দের কারচুপি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হবে। কোন দোকানে ঠিক কতজন রেশন তুলছেন তার সম্পূর্ণ তথ্য আপলোড থাকতে হবে রাজ্য সরকারের ওয়েবসাইটে। ফলে কম রেশন দিয়ে বেশি দেখানো এবার থেকে সম্ভব হবে না আসাধু ডিলারদের।