কথা দিয়ে কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যে পাইলট প্রকল্প হিসাবে শুরু হল দুয়ারে রেশন

রাজ্য জুড়ে পরীক্ষামূলক ভাবে শুরু হল ‘দুয়ারে রেশন’ প্রকল্প। করোনার জন্য সমস্ত রকম স্বাস্থ্য বিধি মেনে বাড়ি বাড়ি রেশন পৌঁছে দেওয়ার কাজ আজ থেকে শুরু করল রাজ্য সরকার। আপাতত প্রতিটি জেলায় একটিমাত্র রেশন দোকানে এই পরিষেবা শুরু হচ্ছে৷  আপাতত পাহাড়ে এই পরিষেবা শুরু করা হচ্ছে না ভূপ্রকৃতির জন্য৷  তবে রাজ্যের যে কটি জেলায় চালু হল দুয়ারে রেশন প্রকল্প তার সবকটিই সুবিধা পরীক্ষামূলক ভাবে শুরু করা হয়েছে৷

২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে দুয়ারে রেশন প্রকল্প ছিল অন্যতম হাতিয়ার৷  বাংলায় তৃতীয় বারের জন্য ক্ষমতায় এলে ‘দুয়ারে রেশন’ প্রকল্প শুরু করবেন এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের ইস্তেহারেও এই কথা বলা হয়েছিল৷ তাই মহামারীর এই কঠিন সময় আর দেরি না করে এই প্রকল্প শুরু করতে উদ্যোগী রাজ্য সরকার। প্রতিটি জেলায় একটি করে রেশন দোকান থেকে সংলগ্ন একটি পাড়া বা গ্রামে বাড়ি গিয়ে রেশন দিয়ে আসার কাজ শুরু হল৷

বুধবার 26 মে সকালের দিকেই বাংলায় আঁছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় যশ, একাধিক জেলাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা

‘দুয়ারে রেশন’ প্রকল্প নিয়ে খাদ্য দফতরের প্রধান সচিব ইতিমধ্যেই ফুড কমিশনারের সঙ্গে  বৈঠক করেছেন৷ রেশন ডিলাররা সেই বৈঠকে হাজির ছিলেন৷ ঠিক হয়েছে,  প্রতি কুইন্টালে ২০০ টাকা করে কমিশন দিতে হবে রেশন ডিলারদের৷ প্রথম ১৫ দিন রেশন দোকান থেকেই দ্রব্যাদি সরবরাহ করবেন রেশন ডিলাররা। প্যাকেজিং এর জন্য  আলাদা খরচ দেবে রাজ্য সরকার।

উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এবং দুর্গম এলাকাগুলিতে এই প্রকল্প এখন চালু হয়নি৷ এই মহামারীর সময় বাড়ি বাড়ি রেশন পৌঁছে দিতে পারলে ভিড় এড়ানো যাবে৷  নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতিও  পূরণ হবে৷  সম্ভব হবে। তবে কোভিড বিধি মেনেই সব কাজ করা হবে  বলে রেশন ডিলারদের তরফে জানিয়েছেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসু।