এত তাড়াতাড়ি বৃষ্টির হাত থেকে মিলছে না রেহাই, আবহাওয়া দপ্তরের তরফে দেওয়া হল বিশেষ বার্তা

একদা এক সময় শুধুমাত্র বর্ষাকালে বৃষ্টি দেখা যেত কিন্তু এখন পাঁচ তলা মল পুরোটাই বর্ষাকাল। গ্রীষ্ম হোক অথবা শীতকাল মাঝে মাঝে ঝমঝম করে বৃষ্টি শুরু হয়ে যায়। শনিবার থেকেই আকাশের মুখ ছিল ভার। রবিবার ঝমঝম করে বৃষ্টিতে যেন অতিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছে সাধারণ মানুষ। কিন্তু এখনই বৃষ্টির যন্ত্রণা মানুষের পিছু ছাড়বেনা, অন্তত এটাই মত আবহাওয়া দপ্তরের।
আগামী তিন দিন রাস্তায় বেরোলে ছাতা নিয়ে বেরোতে হবে আপনাকে এবং আমাকে।

যেকোনো মুহূর্তে নামতে পারে বৃষ্টি। উত্তর-দক্ষিণ বরাবর সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২.১ কিলোমিটার উচ্চতায় বিহার থেকে উড়িষ্যা পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা অবস্থান করছে। নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী দিন উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির বৃষ্টিপাত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

রবিবার কুয়াশার কারণে রীতিমতো যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়েছে। বিমানবন্দরে ঘন কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কম ছিল। ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়েছে কুয়াশার কারণে। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছেন, ২৩ জানুয়ারি রবিবার থেকেই হালকা বৃষ্টি শুরু হয়ে যাবে উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, কলকাতা, হুগলি, পুরুলিয়া, ঝারগ্রাম,পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান,পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলায়।

এই অকাল বৃষ্টির কারণ হিসাবে আবহাওয়াবিদরা পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কাঠগড়ায় তুলেছেন। একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্জা উত্তর-পশ্চিম ভারতের মধ্য ভারতের সরাসরি বঙ্গে প্রবেশ করছে। যার ফলে কিছুটা হলেও ব্যাহত হচ্ছে উত্তুরে হাওয়া। শিরশিরে হাওয়া থাকলেও জাঁকিয়ে শীত যেন কোথাও উধাও হয়ে গেছে পশ্চিমবঙ্গ থেকে। তবে বৃহস্পতিবারের পর থেকেই তাপমাত্রা আরও একবার নিম্নমুখী হবে বলে মনে করা হচ্ছে।