ব্রেকিং নিউজ আগামী 31 শে মার্চ পর্যন্ত চলবে না কোন প্যাসেঞ্জার ট্রেন ফলে যাত্রীরা করতে পারেন বড় সমস্যায়….

কয়েকদিন ধরে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে চলেছে ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ করা হয় তার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে বুধবার পর্যন্ত রেল পরিষেবা বন্ধ  রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখনো পর্যন্ত রিপোর্ট অনুসারে 300 জনেরও বেশি আক্রান্ত হয়েছে এই করোনা ভাইরাসে। সরকারের রিপোর্ট অনুযায়ী মোট 361 জন আক্রান্ত হয়েছে। ভবিষ্যতে এই সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তাই যাতে সংক্রমনের সংখ্যা বৃদ্ধি না পায় তাই রেল মন্ত্রকের তরফ থেকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ আটকানোর জন্য ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই রবিবার জনতা কারফিউ বলে ঘোষণা করেছেন। অর্থাৎ এদিন সকাল সাতটা থেকে রাত 9 টা পর্যন্ত মানুষকে ঘরে থাকার অনুরোধ করেছেন তিনি। এরপর আগামী 25 শে মার্চ পর্যন্ত রেল পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে রেলের তরফ থেকে। গত শনিবারের রেলের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল শনিবার মধ্যরাত থেকে কোনো ট্রেন চলবে না। এমন কী রাতের বহু মেল এক্সপ্রেস ট্রেন বাতিল করা হয় এদিন।

রবিবার সকালে দিল্লি এবং মুম্বাই স্টেশন চত্বর পুরোপুরি ফাঁকা। তবে দিল্লি স্টেশনে কয়েকজন যাত্রী কে দেখা গিয়েছিল কিন্তু কোন ট্রেন না থাকায় সমস্যার মুখে পড়তে হয় তাদের। যাত্রীরা তাদের গন্তব্যস্থলে ঠিকভাবে পৌঁছতে পারেনি এদিন।শনিবার রেলের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল যে, 13 থেকে 16 মার্চ পর্যন্ত ট্রেনের যাতায়াত করেছেন এমন 12 জন যাত্রীর মধ্যে করোনাভাইরাস পাওয়া যায়।

প্রধানমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে রবিবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত গৃহবন্দি থাকলেন দেশের বেশিরভাগ মানুষ। দেশজুড়ে বন্ধ থাকলেও ট্রেন চলাচলও। এই সময়সীমাকেই আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ আর আজ রবিবার দুপুরে সেই খবর সত্যি করে আগামী 31 মার্চ পর্যন্ত সমস্ত প্যাসেঞ্জার ট্রেন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল রেল কর্তৃপক্ষ। এরপর থেকেই রেলের তরফ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে যে রেল যাত্রা মোটেই সুরক্ষিত নয়। সহযাত্রীর শরীরে যদি করোনাভাইরাস থাকে তাহলে আপনিও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন।রেল মন্ত্রকের তরফ থেকে একটি টুইট করে বলা হয়, ‘ বেশ কয়েকজন যাত্রী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। ফলে বর্তমানে রেল যাত্রা সুরক্ষিত নয়। তাই আপনাদের অনুরোধ করছি রেলযাত্রা বন্ধ করুন। নিজেও সুরক্ষিত থাকুন এবং অপরকেও সুরক্ষিত রাখুন।’