পুষ্পা সিনেমার পরেই হঠাৎ করে বেড়ে গেছে লাল চন্দন পাচারের ঘটনা, উদ্বিগ্ন পুলিশ প্রশাসনও

পুষ্পা ছবির জ্বর এখনো পর্যন্ত কাবু করে রেখেছে সারা দেশবাসীকে। কয়েক কোটি টাকা আয় করে ফেলেছে এই সিনেমাটি। দক্ষিণ ভারতীয় এই সিনেমাটি শুধুমাত্র তামিল ভাষায় নয়, হিন্দি ভাষা সহ আরো কয়েকটি ভাষায় মুক্তি পেয়েছে এই সিনেমাটি। সিনেমাটিতে লাল চন্দনের চোরাচালান ব্যবসা দেখানো হয়েছে। কিন্তু যা রটে তার কিছু তো ঘটেই। সিনেমাতে যে ঘটনাগুলি দেখানো হয়েছে তার বাস্তব রুপ কিন্তু বর্তমান।

সম্প্রতি অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে এমনই একটি ঘটনা উঠে এসেছে সকলের সামনে। ২০ জানুয়ারি নেলোর জেলার রাপুর জঙ্গল থেকে লাল চন্দন পাচারকারীদের গ্রেপ্তার করেছে অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশ। তথ্যদাতাদের মতে, ধৃত ব্যক্তিদের মধ্যে ৩ জন চন্দন কাঠ পাচারকারি রয়েছেন এবং ৫৫ জন রয়েছেন শ্রমিক। এই চক্রের কাছ থেকে অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশ উদ্ধার করেছেন ৪৫ টি লাল চন্দন কাঠ,২৪ টি কুড়াল, ৩১ টি মোবাইল,১ টি গাড়ি, ৭৫ হাজার নগদ অর্থ।

কিন্তু এই চোরাকারবারীদের ধরা পুলিশের পক্ষে সহজ কাজ ছিল না। খবর পেয়ে পুলিশের দল চেন্নাই ন্যাশনাল রোড অবস্থান করে এবং প্রত্যেকটি গাড়ির তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করে দুটি ট্রাক, যে দুটিতে ভর্তি ছিল লাল চন্দন কাঠ। পুলিশ ধৃতদের ধরতে গেলে চোরাকারবারীরা পুলিশের উপর ঢিল ছুঁড়ে কুড়াল দিয়ে হামলা করার চেষ্টা করে।কিন্তু অবশেষে তারা ধরা পড়ে যায় পুলিশের ফাঁদে।

নেলোরের এসপি সি বিজয়া রাও জানিয়েছেন, মূল চোরাকারবারি ভি দামু চিত্তুর জেলার বাসিন্দা এবং তিনি পুদুচেরির কুপান্না সুব্রামানিয়ামের সাথে দেখা করার পর তার সঙ্গে মিলিত হয়ে এই চোরা কারবার শুরু করে দেয়। এরপর ভিলুমালাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে এই চোরাকারবার ব্যাপক আকারে শুরু করে তারা।