বিবাহিত অবস্থায় সোনি রাজদানের প্রেমে পড়েন মহেশ ভাট, বাবার কেচ্ছা নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য পূজার

বলিউডের বিখ্যাত পরিচালক মহেশ ভাট (Mahesh Bhatt)। ২০২০ সালে সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুকে ঘিরে  বলিউডের এই প্রযোজকের নাম জড়িয়েছিল স্বজন পোষণের বিষয়।  সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর বলিউডে নেপোটিজম  নিয়ে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়, তখন খবরের শিরোনামে ছিলেন মহেশ ভাট। হবে নাই বা কেন?   এই পরিচালকের ব্যক্তিগত জীবন বলিউডের কাহিনীকেও হার মানায়। দুটি বিয়ে করেছেন, একাধিক নারীর সঙ্গে  সম্পর্কের গুঞ্জন রয়েছে পরিচালক মহেশ ভাটের বিরুদ্ধে।

 

মহেশ ভাটের প্রথম পক্ষের  সন্তান পূজা ভাট (Puja Bhatt)। পূজা ভাট কে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্কের  কারণে বেশ কয়েকবার সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছিলেন মহেশ ভাট। এমনকি পূজার করা  কিছু মন্তব্যেও তার বাবাকে কেন্দ্র করে  বিতর্কেরও সৃষ্টি হয়েছিল। সম্প্রতি পূজা ভাটের জন্মদিনে পূজা ভাট, এবং তার বাবা মহেশ ভাটের একটি সাক্ষাৎকার ভিডিও ফের ভাইরাল হয়েছে সোশাল মিডিয়ায়।  তাকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে৷

এমনিতেই পরিচালক মহেশ ভাটের বিরুদ্ধে একাধিক নারীর সাথে সম্পর্ক নিয়ে নানা কথা শোনা যায়৷  অনেক সময় পরিচালকের চরিত্র নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।  মহেশ ভাটের প্রথম স্ত্রী ছিলেন লরেন। কেরিয়ারের শুরুর দিকে মহেশ ভাট  লোরেনকে বিয়ে  করেন। এমনকি নিজের নাম ও ধর্ম পরিবর্তন করে লরেন হয়ে যান কিরণ ভাট (Kiran Bhatt)।

আগামী দিনে কে বসবে রাজ্যের সিংহাসনে! কোন দল পাবে কটি আসন? বেরিয়ে এল CNX Opinion Poll-র ফলাফল

বিয়ের চার বছরের মাথায় পূজার জন্ম হয়। কিন্তু কিছুদিন পরেই বদলে যায় জীবন।  বাড়িতে মেয়ে বউ থাকতেও অভিনেত্রী পারভিন বাবির সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন মহেশ ভাট । স্বাভাবিক ভাবেই মেয়ে  ও কিরণের সাথে দূরত্ব বাড়ে৷ যদিও পারভিনের সাথে প্রেমের সম্পর্ক টিকেছিল মাত্র ২ বছর। এরপর আবার প্রেমে পড়েন মহেশ ভাট। যদিও তখন কিরণের সাথে কোনোরকম বিবাহবিচ্ছেন হয়নি।

পারভীনের পর সোনি রাজদানের (Soni Razdan) প্রেমে পড়েন মহেশ ভাট। সোনি রাজদানের বাড়ি থেকে লোক এই সম্পর্কে রাজি ছিলেন না৷ মতাই দুজনে লুকিয়েই বিয়ে করেন।সোনির সাথে প্রেমের কথা মহেশ নিজেই মেয়ে পূজাকে জানিয়েছিলেন। একদিন মাঝরাতে পূজাকে ঘুম থেকে তুলে নিজের প্রেমে পড়ার কথা জানান মহেশ ভাট। বাবার নতুন সম্পর্কে কোনো বাধা দেননি পূজা। কিন্তু সোনিকে তার ও মায়ের থেকে দূরে করার জন্য  দোষী মনে করতে শুরু করল পূজা।

কিছুদিন পর এই জটিলতা কাটে। কিরণ পূজাকে বোঝায় যা হয়েছে তা ভালোই হয়েছে। কারণ দুজনের মতের মিল নেই তাছাড়াও সম্পর্ক শুধুমাত্র লোক দেখাতে  টিকিয়ে রাখা যায় না। তাই মনে ক্ষোভ থাকলেও একসময় সৎ মা সোনি ও আলিয়াকে মেনে নেন পূজা।