এটা আবার কোন বাজেট নাকি মধ্যবিত্তদের জন্য কিছুই নেই, এবারের বাজেট দেখে মিমের বন্যা সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে

বাজেট পেশ করার কথা শুনলেই যেন সাধারণ মানুষের মনে আগে থেকেই ভয় জন্মে যায়। গত বেশ কয়েক বছরের বাজেট পেশ করার পর ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাধারণ মানুষ, বিশেষত মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষরা। এবারও তার অন্যথা হলো না। বাজেট পেশ করার পর সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষের যেটুকু সুখ শান্তি ছিল সেটুকুও চলে গেল। নির্মলার বাজেট যে নির্মল নয়, তা বেশ বুঝতে পেরেছে সাধারন মানুষ।

২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এবারের বাজেট নিয়ে আশায় বুক বেঁধেছিল সাধারণ মানুষ। কিন্তু মধ্যবিত্তদের কোন আশাই পূরণ হয়নি এই বছর, উল্টে মন ভেঙে দিয়েছেন নির্মলা। অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের দাম থেকে শুরু করে ইনকাম ট্যাক্স সবকিছুই এখন ঊর্ধ্বমুখী।

বাজেট শুনে রীতিমতো হতাশ হয়ে সোশ্যাল মিডিয়াকে প্রধান অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করে মাঠে নেমেছেন সাধারণ মানুষ। টুইটারে ট্রেন্ডিং হয়েছে #middleclass #incometax প্রভৃতি হ্যাশট্যাগ। সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে রীতিমতো উপহাসের বন্যা বয়ে চলেছে। কেউ কেউ বলছেন সাধারণ মানুষের মরে যাওয়া উচিত। কেউ আবার বলছেন, এই বাজেট একেবারেই অর্থহীন এটি বন্ধ করে দিন।

চলতি বছরের অর্থবর্ষে ভোজ্যতেল সহ বিভিন্ন অত্যাবশ্যক জিনিসের দাম যেভাবে বেড়েছে তাতে রীতিমতো হতাশ হয়েছেন সাধারন মানুষ। তবে গয়না এবং মোবাইলের দাম কমে যাওয়ায় কিছুটা আশ্বস্ত হয়েছেন তাঁরা। অপরিবর্তিত থাকছে ইনকাম ট্যাক্স। ক্রিপ্টোকারেন্সি থেকে রোজগারে ৩০ শতাংশ কর বসিয়েছেন নির্মলা সীতারমণ।

এই প্রসঙ্গটিকে বোঝানোর জন্য সোশ্যাল মিডিয়াতে ফের হেরাফেরি অক্ষয় কুমারের একটি দৃশ্য ব্যবহার করেছেন সাধারণ মানুষ। তাতে করের হার দেখে লেখা হয়, আরে মুঝে চককার আনে লাগি হায়। কেউ আবার মধ্যবিত্তদের উদ্দেশ্যে লিখেছেন, তু যা রে, ইয়ে স্ক্যাম তেরে লিয়ে হ্যায় নেহি।

প্রসঙ্গত, বিরক্তির কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দিয়ে এক নেটিজেন অমরেশ পুরির ছবি ব্যবহার করে লেখেন, বহোত বহোত ধন্যবাদ। আব তুম যা সাকতে হো।নির্মলা সীতারামনকে যে একেবারেই গ্রহণ করছেন না সাধারণ মানুষ তা এই সমস্ত পোস্ট দেখে স্পষ্ট হয়ে যায়।