স্বাস্থ্যসাথীতে রাজ্যের বেঁধে দেওয়া চিকিৎসার খরচ বৃদ্ধির দাবি বেসরকারি হাসপাতালের তরফে

Sasto Sathi

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর চিকিৎসার খরচ বৃদ্ধি করার দাবি জানালো বেসরকারি হাসপাতালগুলো। গতকাল এই বিষয়ে স্বাস্থ্য ভবনে একটি বৈঠক হয়। বেসরকারি হাসপাতালের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন রাজ্যের স্বাস্থ্য আধিকারিকরা৷ স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর সরকারের বেঁধে দেওয়া চিকিৎসার খরচ বাড়ানোর দাবি জানান বেসরকারি হাসপাতালের কর্তৃপক্ষরা৷

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুয়ারে সরকার প্রকল্প এর মাধ্যমে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর মাধ্যমে 5 লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসার সুযোগ পাওয়া যায়। রাজ্যবাসীকে উন্নত মানের চিকিৎসা দিতেই এই প্রকল্প। রাজ্যের 10 কোটি মানুষকে এই প্রকল্পের মধ্যে আনার জন্য কাজ শুরু হয়েছে ডিসেম্বর ২০২০ থেকে । এ কার্ডে বিভিন্ন ধরনের রোগ এবং অপারেশনের চিকিৎসার জন্য একটি নির্দিষ্ট খরচ বেঁধে দেওয়া হয়েছে। সেই খরচের মধ্যে চিকিৎসার সুযোগ নিতে পারবেন রোগী। গৃহকর্ত্রীর নামে কার্ড হলেও তার পরিবারের মানুষ সুবিধা পাবেন।

কিন্তু বেসরকারি হাসপাতালগুলো দাবি জানিয়েছে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এ রাজ্যের বেঁধে দেওয়া চিকিৎসার খরচ যথেষ্ট নয়। যেকোনো বড় বেসরকারি হাসপাতালে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর মাধ্যমে একাধিক রোগ, অস্ত্রপচার কার্যত অসম্ভব। তাই হাসপাতালের আধিকারিকরা স্বাস্থ্য ভবনে আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বলেন, স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর চিকিৎসার খরচ বাড়াতে হবে। বেসরকারি হাসপাতালে পরিকাঠামোগত উন্নয়নে খরচ অনেক। তাই এত কম টাকায় চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া সম্ভব নয়৷

 

স্বাস্থ্যসাথী না আয়ুষ্মান ভারত কোন প্রকল্প আপনার জন্য সুবিধেজনক?দেখুন পার্থক্য

হাসপাতালে উন্নত মানের চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনা কর্মীদের বেতন সহ একাধিক ক্ষেত্রে খরচ সামলাতে হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কে। তাই সমস্ত দিক বিবেচনা করে এত অল্প টাকায় চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া কার্যত অসম্ভব বলে জানিয়েছেন বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষরা। এদিনের বৈঠকে কয়েকটি হাসপাতালের তরফে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর মাধ্যমে চিকিৎসার খরচের বকেয়া থাকার অভিযোগ জানানো হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দের মধ্যে অনেকেই অভিযোগ জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর মাধ্যমে চিকিৎসার পর নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও তারা এখনো চিকিৎসার খরচ পাননি। দ্রুত এ ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।