করোনা ভাইরাসের জেরে বাড়তে চলেছে বেসরকারি বাসের ভাড়া, এবার থেকে সর্বনিম্ন ভাড়ায় পরিমাণ..

লকডাউন বিধিনিয়ম মেনেই এবার রাস্তায় চলবে বেসরকারি বাস। যার ফলে বেসরকারি বাসের ভাড়া বাড়তে চলেছে। আর এক্ষেত্রে গ্রীন জোনে থাকা জেলার মানুষদের অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে চড়তে হতে পারে এই বেসরকারি বাস গুলিতে। তাই এক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ভাড়ার পরিমাণ আর সাত টাকা থাকবে না। তবে এখনো পর্যন্ত কত টাকা নির্ধারণ করা হবে সেই বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। বাসের ভাড়া যে ভবিষ্যতে বাড়তে চলেছে সে কথা ইঙ্গিত মিলেছে পরিবহন দপ্তরসূত্রে।

যতদিন এরকমভাবে বাসগুলি অর্ধেক পরিমাণে যাত্রী নিয়ে চলাচল করবে তত দিন পর্যন্ত এক্ষেত্রে অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হবে সেসব যাত্রীদের। যদিও এক্ষেত্রে বেসরকারি বাস গুলির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ভাড়া বসানো হবে তবে এক্ষেত্রে সরকারি বাসের ক্ষেত্রে তেমন কিছু ধার্য করা হচ্ছে না।আজ শুক্রবার থেকে গ্রীনজোনের কোনো কোনো জেলাতে চালু করা হবে সরকারি বাস পরিষেবা, সাধারণ যাত্রীদের কথা মাথায় রেখেই শুরু করা হতে চলেছে এই পরিষেবা আর এক্ষেত্রে ভাড়ার পরিমাণ একই থাকবে।

উত্তরবঙ্গে এনবিএসটিসি এবং দক্ষিণবঙ্গে এসবিএসটিসি বাস চালানো হবে।যদিও রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে লকডাউনের মধ্যে গ্রীন জোনে থাকা জেলাগুলিতে যাত্রীদের সুবিধার্থে বেসরকারি বাস গুলিও চালানোর।তবে এই ক্ষেত্রে বাস মালিকরা একই ভাড়া রেখে যাত্রীদের জন্য বাস পরিষেবা চালাতে অস্বীকার করেছে।যদিও এই বিষয় নিয়ে দফায় দফায় বাস মালিকদের সংগঠনের সাথে প্রশাসনের বৈঠক হয়েছে তবে এই বৈঠকের দ্বারাও এখনো পর্যন্ত কোন প্রকার জট কাটেনি। কাল বৃহস্পতিবার দেশের সাতটি জেলার শাসকদের সঙ্গে বাস মালিকেরা বৈঠক করেন এবং সেখানে তারা বর্তমান ভাড়া চাইতে তিনগুণ দাবি করেন, এবং তবেই তারা বাসের পরিষেবা প্রদান করবেন এমনটাই জানান।

তবে এরকম এক শর্ত মানতে নারাজ প্রশাসন।তবে এক্ষেত্রে ভাড়া যে বাড়বে তা এক প্রকার স্থির হয়েছে সেটা 10 টাকা 12 টাকা অথবা 15 টাকা পর্যন্ত হতে পারে।এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো সঠিক সিদ্ধান্ত নেঝয়া হয়নি। এমনিতেই গ্রীন জোন গুলিতে অধিকাংশ পরিষেবা শুরু হয়েছে যাদের মধ্যে রয়েছে দোকান বাজার,অটো- টোটো। যদিও এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় এর আগে রাজ্যে গ্রীন জোন গুলিতে বেসরকারি বাস গুলি চালানোর ক্ষেত্রে ছাড়পত্র দিয়েছিলেন কিন্তু সে ক্ষেত্রে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছিলেন বাসের ক্ষেত্রে কুড়ি জনেরও বেশি যাত্রী তোলা যাবে না।এর পাশাপাশি বাসের বসার সময় রাখতে হবে সামাজিক দূরত্ব বোঝায় আর তাতে পুরনো ভাড়ায় মাত্র কুড়ি জন যাত্রী তুলতে অস্বীকার করছে এই বাস মালিকেরা।

তাই সরকারের নির্দেশ দেওয়ার পরও তারা বাস নামাননি। কিন্তু রাজ্যে বেশি ভাগ যাত্রী পরিষেবায় বেসরকারি বাসের ওপর নির্ভরশীল রয়েছে তাছাড়া কয়েক লক্ষ মানুষের রুজি-রোজগার জড়িয়ে রয়েছে এই শিল্পের ওপর তাই সে কথাটা মাথায় রেখে বাসে ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে প্রশাসন মহলে।যদিও এখনো পর্যন্ত কত টাকা বাড়ানো হবে সেই বিষয় নিয়ে কিছু ঠিক করা হয়নি তবে এ ক্ষেত্রে মিনিবার সমন্বয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাহুল চট্টোপাধ্যায় জানান সরকার জানিয়েছে ভাড়াভিত্তিক যে বিষয়টি রয়েছে সেটি দেখা হচ্ছে এবং সরকার গ্রীনজোনে বর্ধিত ভাড়া কত করে করবে তা দেখেই বাস নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ভবিষ্যতে।