করোনার দ্বিতীয় সংক্রমণ নিয়ে জাতির উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ, দিলেন গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

করোনার প্রথম দফার সংক্রমণ রোধ করতে না করতে ভারতবর্ষের উপর থাবা বসিয়েছে করোনার দ্বিতীয় সংক্রমণ। আর এই সংক্রমণের হার প্রতি ২৪ ঘন্টায় ঝড়ের গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। মানুষজন ঘরে থাকলেও সংক্রমিত হয়ে পড়ছে। পাশের ঘরের করোনা রোগির থেকে অন্য ঘরের আর এক ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে। এই হল দ্বিতীয় দফার সংক্রমনের চিত্র। এবার করোনার দ্বিতীয় দফার সংক্রমণ নিয়ে আজ অর্থাৎ ২০ এপ্রিল সন্ধ্যা বেলায় প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন।

 

জাতির উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি ভাষণ দিতে গিয়ে বলেছেন যে ভারতবর্ষে আছড়ে পড়েছেএখন করোনার দ্বিতীয় সংক্রমণ। যা প্রতিদিনই রেকর্ড সংখ্যক ব্যক্তিকে সংক্রমিত করছে। তবে এই ব্যাপারে সাধারণ মানুষকে সাবধান হতে হবে। এদিকে আবার সাধারণ মানুষের মনে লকডাউনের আতঙ্ক বাসা বেঁধেছে। সংক্রমণকে আটকানোর সর্বশেষ অস্ত্র হিসেবে প্রধানমন্ত্রী চিহ্নিত করেছেন লকডাউনকে। অবশ্য তিনি বলেছেন বর্তমান প্রজন্মের যুবসমাজ যদি করোনাকে রোধ করার জন্য এগিয়ে আসে তাহলে লকডাউনের সাহায্য নিতে হবে না ভারতকে।

এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী আরো যে সমস্ত কথাগুলি বলেছেন এক ঝলকে তা দেখে নেওয়া যাক- প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেছেন – করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করছে গোটা দেশ’

‘করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ঝড়ের মতো আছড়ে পড়েছে’

‘যারা পরিজনদের হারিয়েছেন, তাদের প্রতি সমবেদনা’

‘চ্যালেঞ্জ কঠিন, কিন্তু আমরা লড়াই চালিয়ে যাব’

‘কঠিন থেকে কঠিনতম সময়েও ধৈর্য্য হারালে চলবে না’

‘এবার করোনার সংক্রমণে দেশের অনেক জায়গায় অক্সিজেনের সঙ্কট’

‘অক্সিজেনের সঙ্কট মেটাতে সংবেদনশীলতার সঙ্গে কাজ চলছে’

‘কেন্দ্র, রাজ্য, বেসরকারি সংস্থা-সবাই একসঙ্গে কাজ করছে’

‘রাজ্যে নতুন অক্সিজেন প্ল্যান্ট, ১ লক্ষ সিলিন্ডার পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে’

‘জানুয়ারির তুলনায় দেশে ওষুধের উৎপাদন বাড়ানোর কাজ চলছে’

‘বিশ্বের সবচেয়ে সস্তা ভ্যাকসিন উৎপাদন করছে ভারত’

‘প্রবীণরা ভ্যাকসিন পাচ্ছেন, এটা লড়াইয়ে বড় শক্তি’

‘১৮ বছর পেরোলেই ভ্যাকসিন পাবেন, সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে’

‘হাসপাতালে বেডের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে’

‘কেন্দ্র-রাজ্যের উদ্যোগে শ্রমিকরাও ভ্যাকসিন পাবেন’

‘পরিযায়ী শ্রমিকরা যে যেখানেই আছেন, সেখানেই থাকুন’

‘আগের বার যে পরিস্থিতি ছিল, তা ছিল অন্যরকম’

‘রাজ্য সরকারকেও পরিযায়ী শ্রমিকদের পাশে থাকতে বলব’

‘পরিযায়ী শ্রমিকরা কেউ শহর ছাড়বেন না’

‘সবাই মিলে করোনাকে পরাস্থ করতেই হবে’

‘খুব প্রয়োজন না হলে, কেউ ঘর থেকে বেরোবেন না’

‘এই মুহূর্তে দেশকে লকডাউনের থেকে বাঁচাতে হবে’

‘লকডাউন এড়াতে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হবে’

‘করোনা মোকাবিলায় লকডাউন সর্বশেষ অস্ত্র’।