দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে আজ রাত 8 টায় জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী…

সারাবিশ্বে করোনা ভাইরাস যেভাবে বেড়ে চলেছে তাতে চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভারতের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে এই করোনা ভাইরাস। এই করোনা ভাইরাস নিয়ে বৃহস্পতিবার রাত 8 টার সময় জাতির উদ্দেশ্যে ভাষন দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।প্রধানমন্ত্রীর দফতরের তরফ থেকে টুইট করে একথা জানানোর হয়েছে। এরপর থেকেই শুরু হয়ে যায় বিভিন্ন মহলে জল্পনার। তাহলে কী করোনা ভাইরাস ঠেকাতে আরও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে?

বুধবার প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে টুইট করে জানিয়ে দেওয়া হয়,”19 মার্চ বৃহস্পতিবার রাত 8 টার সময় জাতির উদ্দেশ্যে ভাষন দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। COVID-19 ও তার মোকাবিলা নিয়ে আলোচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।”বুধবার করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ করার জন্য পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে তা নিয়ে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী পরিস্থিতির পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেন।এই মরণ ভাইরাসের মোকাবিলা করার জন্য সারা দেশজুড়ে 144 ধারা জারি করার আর্জি জানিয়েছেন দেশের শিল্পপতিদের একাংশ। দেশের 51 জন শিল্পপতির তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে যে অবিলম্বে দেশে 144 ধারা জারি করা হোক। খবর সূত্রে জানা গেছে, বুধবারের বৈঠকে নানান বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এই বৈঠকে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ঠিক হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে। তবুও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যখন বক্তৃতা দেবেন তখন জল্পনা তুঙ্গে থাকবেই।

কারন আমরা জানি কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া এনার অভ্যাস। কী এই সিদ্ধান্ত হবে তা জানার জন্য আমাদের রাত 8 টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে।
এ দিনের বৈঠকে করোনা ভাইরাস মোকাবিলা করার জন্য সাধারণ মানুষ, স্থানীয় সংগঠন এবং বিভিন্ন সংস্থাকে যুক্ত করার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী বিশেষভাবে জোর দেন। এর পাশাপাশি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য যারা দিনরাত এক করে দিচ্ছেন এবং এই ভাইরাস মোকাবিলা করার জন্য যারা লাগাতার খেটে যাচ্ছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ট্যুইট করে জানিয়েছেন, “COVID- 19 যেভাবে কাজ চলছে, তাতে চিকিৎসা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা, প্যারামেডিকেল কর্মী, সেনা, আধা সেনা, পৌরসভা, বিমান পরিবহন এর সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের অসংখ্য ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।”এছাড়াও এই বৈঠকে নমুনা পরীক্ষা করার যে কেন্দ্র তার সংখ্যা বাড়ানোর কথা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার পরিধি আরও বাড়ানোর আলোচনা হয়েছে এ বৈঠকে।