নোট বন্দির পর ফের ভারতে এক জরুরি ভিত্তিতে আজ বিকেল 4 টায় জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী..

নোট বন্দির পর ফের ভারতে এক জরুরি ভিত্তিতে আজ বিকেল 4 টায় জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শোনা যাচ্ছে বেতারের মাধ্যমে জাতির উদ্দেশ্যে বক্তব্য পেশ করবেন তিনি এইদিন। যেমন কি আপনারা জানেন 370 ধারা বিলোপের পর এই প্রথম ভাষণ হবে প্রধানমন্ত্রীর। অর্থাৎ আজ স্পষ্ট হয়ে যাবে কোন পরিপ্রেক্ষিতে ভূস্বর্গ থেকে ধারা 370 ধারা ও 35A কে বাতিল করা হয়েছে। এই দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিরোধীদের করা সমস্ত প্রশ্নের জবাব দিতে পারেন বলে অনুমান করা হচ্ছে।

এমন কি মনে করা হচ্ছে এই দিন কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তান যে মাথা ব্যথা করছে তার নিয়েও মুখ খুলতে পারেন তিনি। এমনকি পাকিস্তানের করা সমস্ত সমালোচনার কড়া জবাব দিতে পারেন নমো বলে অনুমান করা হচ্ছে। কাশ্মীরের বর্তমান অবস্থা কী এবং পরবর্তীকালে সরকার কাশ্মীর কে নিয়ে কি পরিকল্পনা নিতে চলেছে এই দিন তা সাধারণ মানুষের কাছে তার বক্তব্য হিসাবে তুলে ধরবেন তিনি।

কাশ্মীর থেকে ধারা 370 তুলে নেওয়ার পর থেকে ভারতের সাথে সমস্ত রকম কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে দিয়েছে পাকিস্তানের ইসলামাবাদ। এমনকি ভারতের হাই কমিশনার কে ভারতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পাক প্রশাসনের তরফ থেকে। সাথে এটাও বলা হয়েছে ভারতের সাথে কোন রকম বাণিজ্যিক সম্পর্ক রাখতে ইচ্ছুক নন পাক প্রশাসন।আর এর দরুন আগামী 15 আগস্ট কাশ্মীর ইস্যুকে “কালা দিবস” পালনের ডাক দিয়েছে পাক সরকার।
পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারত বিরোধী প্রচারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নিরাপত্তা পরিষদে পাকিস্তান কাশ্মীর ইস্যুকে তুলবে বলে দেওয়া হয়েছে হুঁশিয়ারি। পাকিস্তানের তরফে এহেন হুমকি দিয়ে দেওয়ার পর মোদির ভাষণে ঠিক কী কী প্রসঙ্গ উঠে আসে সেদিকেই নজর থাকবে এখন গোটা ভারতের।

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জম্মু-কাশ্মীর সংক্রান্ত এই গুরুত্বপূর্ণ বিল গুলির সংসদে পাস হওয়ার বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছিলেন এবং এই নিয়ে তাকে টুইট ও করতে দেখা যায় এই টুইটে তিনি বলেন ”আমাদের সংসদীয় গণতন্ত্রে এ এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত,আজ আমরা সকলেই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসঙ্গে 130 কোটি ভারতীয়দের স্বপ্ন পূরণ করবো।অন্যদিকে তিনি জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখের ভাই বোনদের সাহসিকতা ও ধৈর্যের প্রশংসা করেন।
তবে এখানেই শেষ নয় এই দিন তিনি আরো বলেন
বছরের পর বছর ধরে কায়েমি স্বার্থবাদী কিছু গোষ্ঠী, যাঁরা আবেগ ছড়িয়ে ব্ল্যাকমেলে বিশ্বাস করেন, তাঁরা সাধারণ মানুষের ক্ষমতায়নে গুরুত্বই দেয়না।

জম্মু ও কাশ্মীর এখন এই সব মানুষের বেড়াজাল থেকে মুক্ত। এক নতুন ভোর ও আরও উজ্জ্বল ভবিষ্যত্‍ অপেক্ষা করছে। জম্মু, কাশ্মীর ও লাদাখ সম্পর্কিত বিলগুলি অখন্ডতা ও ক্ষমতায়ন সুনিশ্চিত করবে। এই পদক্ষেপগুলি যুবসম্প্রদায়কে মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনবে এবং তাঁদের দক্ষতা ও মেধা তুলে ধরার ক্ষেত্রে অসংখ্য সুযোগ-সুবিধা প্রদান করবে। এমনকি, স্থানীয় পরিকাঠামোরও লক্ষ্যণীয় উন্নতি ঘটবে।”

Related Articles

Close