দেশনতুন খবরবিশেষরাজনৈতিক

“চুন চুন কে হিসাব লেনা মেরা ফিদরত হ্যায়”- জনসভা থেকে বার্তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির।

পুলওয়ামা ও পাকিস্তানে এয়ার স্ট্রাইকের পরে মমতা, কেজরিওয়াল, সিধু থেকে বিরোধী দলের একাংশ প্রথম ঘটনার জন্য মোদিকে দায়ী করার পর দ্বিতীয় ঘটনা ঘটার প্রমাণ চেয়েছেন। বিরোধী দলগুলির এইসব প্রশ্নের পাল্টা জবাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এক জনসভায় বক্তৃতা দেওয়ার সময় বিরোধীদের কটাক্ষ করে মোদী বলেন, ” দেশের দুর্ভাগ্য দেখুন, কিছু লোকের যেন কী হয়ে গেছে। এখন পাকিস্তানের কিছু সংবাদ মাধ্যমের হেডলাইন গুলি দেখুন এখানে নেতারা যে সমস্ত কথা বলছেন, সেগুলি পাকিস্তানের পার্লামেন্টে আলোচনা হচ্ছে। নেতা এরকম হয়? এরা দেশের স্বার্থের কথা একবারও ভেবে দেখেনা?” এরপরে পাকিস্তান কে উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,” দেশের সেনারা যথেষ্ট সাহস দেখিয়েছেন। আমি বেশিক্ষন অপেক্ষা করতে একেবারে রাজি নই।

গুনে গুনে হিসাব দেওয়া আমার অনেক দিনের অভ্যাস (চুন চুন কে হিসাব লেনা মেরা ফিদরত হ্যায়)।” এই বক্তব্যের ভিডিও ক্লিপটি খুবই দ্রুততার সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। 2019 এর শুরুতে স্বাভাবিকভাবে আগের মতোই মুখে শান্তির বার্তা কিন্তু হাতে ছুরি নিয়ে খেলা করছে ইমরান খানের পাকিস্তান। 14 ই ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামাতে পাক মদতপুষ্ট জইশ-ই-মহম্মদের আত্মঘাতী জঙ্গি আদিল হামলা চালায় সিআরপিএফের কনভয়ে। শহীদ হন আমাদের দেশের 40 জন বীর জাওয়ান। এই হামলার সম্পূর্ণ দায় স্বীকার করেছে জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি সংগঠন। এই জইশ-ঈ-মহম্মদ জঙ্গী সংগঠনের প্রধান মাসুদ আজহার এখনো পাকিস্তানে আশ্রয় রয়েছে। পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার 12 দিন পর 26 শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের বালাকোট ঘরে ঢুকে ভারতীয় বায়ুসেনা এয়ার স্ট্রাইক করে। এই এয়ার স্ট্রাইকে জইশ-ঈ-মহম্মদ জঙ্গি সংগঠনের প্রায় 300 জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়।

একইভাবে ভারতের 26/11 সহ আরো বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসবাদী হামলার মূল চক্রি হাফিজ সঈদকে জামাই আদরে পাকিস্তানে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে পাকিস্তানের সরকার। প্রায় প্রত্যেক দিন এই যুদ্ধবিরতি লংঘন করে ভারতের সীমান্তে গুলি চালায় পাকআর্মি ও সন্ত্রাসবাদী রা। আর তা ঠিক পরে সাংবাদিকদের কাছে শান্তির বার্তা দেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। এমনকি বুধবারও নিজের LOC লংঘন করে ফাইটার জেট এফ 16 দিয়ে ভারতে খেলতে এসে ভারতীয় বায়ুসেনার তাড়া খেয়ে পালায় পাকিস্তানের এফ 16 বিমান।

Related Articles

Back to top button