রাম মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু করতে আগস্ট মাসেই অযোধ্যায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

রাম মন্দির নির্মাণ করার কাজ এ বছরের আগস্ট মাস থেকেই শুরু হয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। আগস্ট মাস থেকেই রাম মন্দির নির্মাণ কাজের অনুমতি দিয়ে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। আর এই মন্দির নির্মাণের আগে ভূমি পূজোনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী 5 ই আগস্ট অযোধ্যা যেতে পারেন। এই সময় শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্রের সমস্ত ট্রাস্টি, শীর্ষ সাধু-সন্ন্যাসী সমেত এই সংঘের প্রধান মোহন ভগত থাকছেন।

এছাড়াও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং রাজ্যপাল আনন্দিবেন প্যাটেল অফ আরো অনেকেই এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারেন। 18 ই জুলাই এই সম্পর্কে একটি বৈঠক করা হবে বলে জানা গিয়েছে। সম্প্রতি কয়েক দিন আগে শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সভাপতি মোহন্ত নূত্যগোপাল দাস এ বিষয়ে একটি চিঠি লিখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। আর মূলত এই কারণেই আগস্ট মাসের ওই দিনে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী অযোধ্যায় যেতে পারেন।

শ্রী রাম জন্মভূমি ট্রাস্টের সূত্রে খবর অনুসারে জানা গিয়েছে যে, অযোধ্যায় রাম মন্দিরের ভূমি পূজন করার পর প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী মন্দির নির্মাণের সমস্ত নিয়ম কানুনের শুভ আরম্ভ করবেন। ওই দিনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী সহ আরো কয়েকজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। তবে ওইদিন সেখানে কোনো জমায়েত সৃষ্টি করা যাবে না বলে জানানো হয়েছে। কারণ বর্তমানে যেভাবে করোনা সংক্রমণ বেড়ে চলেছে তাতে কোনো ভাবেই জমায়েত করতে দেওয়া যাবে না।

সূত্রের খবর অনুসারে 18 জুলাই ওই বৈঠকে তারিখ ঘোষণা করা হবে। 1989 সালে রাম মন্দিরের শলিন্যাস করা হয়েছিল। এবারে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী তার প্রতিকী শুভারম্ভ করবেন। এই অনুষ্ঠানে বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডার উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে। মহন্ত নিত্যগোপাল বাবু প্রধানমন্ত্রীকে যে চিঠি লিখেন তাতে তাকে অযোধ্যায় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে চিঠিতে লেখেন যে, তিনি যাতে শীঘ্রই অযোধ্যাতে এসে রাম মন্দিরের শুভারম্ভ করেন। তিনি আরো লিখেন যে, কোনরকম ভার্চুয়াল বা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করলে হবে না। প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী যাতে স্বয়ং সেখানে উপস্থিত থেকে এই রাম মন্দিরের শুভারম্ভ করেন।