ভারতকে গ্লোবাল হার্ব হিসেবে গড়ে তুলতে হবে এমনই বক্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

নরেন্দ্র মোদী যখনই যেখানে বক্তব্য রাখেন না কেনো সব সময় দেশকে উন্নত করে তোলার কথা তুলে ধরেছেন। এবার জাপান সফরে ও ঠিক এমনটাই বক্তব্য রাখলেন নরেন্দ্র মোদি, ভারতকে গ্লোবাল হার্ব হিসেবে তুলে ধরার কথা তুলে ধরেছেন নরেন্দ্র মোদি। বিশেষত নানা ধরনের ইলেকট্রনিক সামগ্রী বিশেষ করে মোবাইল ফোন মার্কেট এবং নানা ধরনের বৈদ্যুতিক সামগ্রী বা মোবাইল ফোন প্রস্তুতির মাধ্যমে দেশকে বিশ্ব দরবারে সেরাই রাখতে চান এমনটা জানালেন নরেন্দ্র মোদি।
বক্তৃতায় তিনি বলেন,”ভারতে প্রস্তুত হওয়া যে কোন ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী বা মোবাইল ফোন শুধু ভারতের জন্য তৈরি করা হয় তা না, গোটা বিশ্বের জন্য করা হয়।নানা ইলেকট্রনিক সামগ্রী এবং মোবাইল ফোন প্রস্তুতিতে ভারত একদিন হয়ে উঠবে গ্লোবাল হার্ব।
তিনি আরো বলেন ভারতীয় বৈজ্ঞানিকরা স্বল্প খরচে চন্দ্রযান এবং মঙ্গল যান তৈরি করছেন 2022 এ সেই মহাকাশযান গুলি নিজেয় নিজের স্থানে পৌঁছে যাবে।

2022 অব্দি ভারতীয় মহাকাশের অদূর সীমা পার হয়ে মহাকাশে পৌঁছে যাবে এমনই বলেছেন নরেন্দ্র মোদি। এর আগেও স্বাধীনতা দিবসে লাল কেল্লার বক্তব্য তিনি 2022 অব্দি মহাকাশে যাওয়ার কথা তুলে ধরেছিলেন।ভারত-জাপান শীর্ষ বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য গত শনিবারই নরেন্দ্র মোদী জাপানের মাটিতে পা রেখেছেন সেখানে ফুজি পর্বত সংলগ্ন ইয়ামানাশি নামে এক এলাকায় স্বাগত জানাই জাপান প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে। প্রায় আট ঘন্টা এক সাথে সময় কাটিয়েছেন দুই প্রধানমন্ত্রী। জাপানের প্রধানমন্ত্রী আবে কে রাজস্থানী তৈরি হলুদ এবং গোলাপী পাত্র, উত্তরপ্রদেশের মিরাজ পুরের কাঠ দিয়ে তৈরি কার্পেট এবং কাঠ দ্বারা তৈরি অপুর্ব একটি সুন্দর উপহার দিয়েছেন। নিজের টুইটারে একটি পোস্ট করে মোদি জানিয়েছেন, ইয়ামানাশিতে এলাকায় অপরূপ মনোরম দৃশ্যের মাঝে আবের সাথে দেখা করে খুব খুশি তিনি।

রোবট প্রস্তুতকারী সরকারি সংস্থা ফ্যানইউসি এর কারখানা পরিদর্শনের যায় একসঙ্গে দুজন প্রধানমন্ত্রী। শিনজো জানান,”দুই দেশের সম্পর্ক ভালো রাখতে যথেষ্ট সচেষ্ট এবং আগ্রহী নরেন্দ্র মোদি। ভারত- জাপানের সম্পর্ক বিষয়ে অনেক সমৃদ্ধ করেছে। কৃষি, পরিবেশ, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ইত্যাদি বিষয়ে আমাদের অনেক যৌথ প্রকল্প আছে। রাজনীতিবিদদের মধ্যে, রোবটিক্স, এরেল আধুনিকরণ বা বুলেট ট্রেন সম্বন্ধিত তথ্য, নামে ইলেক্ট্রনিকস সামগ্রীর তথ্য ইত্যাদি আধুনিকরণের জন্য ভারতের জাপানের কাছ থেকে সহযোগিতা প্রয়োজন।ভোটের আগে যদি কিছু দেশের আধুনিকরণ আরো করা যায় বা কিছু তথ্য জনগণের সামনে রাখা যায় তবে ভোটের আগে আরো কিছু সাপোর্ট বা সাহায্য পাবে নরেন্দ্র মোদীর দল।