চীন-পাকিস্তানকে কোনঠাসা করতে নতুন ছক তৈরি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি..

পাকিস্তানকে তাদের ওকাদ দেখি দিলো ভারত। প্রতিনিয়ত পাক মদত পুস্ট জঙ্গিরা ভারতের মাটিতে হামলা করে রক্ত ঝড়িয়েছে, এর জন্য যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারত, তাও পাকিস্তান শোধরাতে পারেনি। আর্থিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়া সত্ত্বেও পাকিস্তান জম্মু ও কাশ্মীরকে অশান্ত করতে লেগে রয়েছে বহুদিন ধরে, তবে মোদি সরকার আসার পর অনেকটাই কোণঠাসা হয়েছে পাক প্রশাসন।

ভারতের সাথে বৈঠকের জন্য মুখিয়ে আছে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। যেকোনো পরিস্থিতিতে আলোচনা করতে চাইছে পাক সরকার। দ্বিপাক্ষিক সমস্যা সমাধানে ভারতের সাথে আলোচনায় বসতে মরিয়া হয়ে উঠেছে পাক প্রশাসন। কিন্তু তাদের কথা কর্ণপাত করছে না ভারত। ভারত সরকারের সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সীমান্তে জওয়ানদের রক্ত ও সিন্ধুর জল একসাথে বইতে পারেনা, পাক সরকার যতদিন পর্যন্ত সন্ত্রাস মূলক কার্যকলাপ বন্ধ করতে না পারবে ততদিন পর্যন্ত কোনো আলোচনা বসবে না ভারত।

অন্যদিকে শ্রীলঙ্কা-মালদ্বীপ সফরের মাধ্যমে দিয়ে চিন-পাকিস্তানকে কড়া কূটনৈতিক বার্তা দিতে চলেছেন মোদি। প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলে চিনকে চাপে রাখা ও সেই সুবাদে পাকিস্তানকে চূড়ান্ত অস্বস্তিতে ফেলাটাই এখন পাখির চোখ মোদির। আর এই সিদ্ধান্তে জেরে চিন ও পাকিস্তানকে দীর্ঘমেয়াদে কোণঠাসা করতেই বিদেশ নীতিকে নতুন করে ছকতে শুরু করেছেন নরেন্দ্র মোদি।

জানা গিয়েছে, চিন-পাকিস্তানকে একঘরে করার লক্ষ্যেই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলিতে ভারতের প্রভাব আরও বেশি করে বাড়ানোর প্রয়াস নিয়েছেন মোদি। মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কা সফর করে মোদি বুঝিয়ে দিতে চাইছেন, পশ্চিম নয় এই মুহূর্তে তাঁর প্রধান লক্ষ্য দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব।

প্রধানমন্ত্রী নিজে জানিয়েছেন, মালদ্বীপ ভারতের বন্ধু। এই বন্ধুত্বকে নতুন স্তরে নিয়ে যাওয়া এখন ভারতের প্রধান লক্ষ্য। এবারের এই সফর দুই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে মত মোদির। অন্যদিকে শ্রীলঙ্কার সন্ত্রাসের লড়াইয়ে ভারত সম্পূর্ণভাবে পাশে আছে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন মোদি

Related Articles

Close