করোনা দেখিয়ে দিল 56 ইঞ্চি নিচে রয়েছে সংবেদনশীল হৃদয়, কেঁদে ফেললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

করোনা  মহামারীর জন্য যারা প্রাণ হারিয়েছেন তাদের কথা বলার সময় কেঁদেই ফেললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।  সাহসী মানুষের মধ্যেও একটা সংবেদনশীল হৃদয়ে রয়েছে।  শুক্রবার উত্তর প্রদেশ বারাণসীর করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ভিডিও কনফারেন্সে ভার্চুয়াল বৈঠক করছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।  সেখানেই করোনা মহামারীতে মৃতদের কথা বলতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন তিনি।

করোনা মহামারী মোকাবিলা করতে নরেন্দ্র মোদি সরকার ব্যর্থ।  এই বিষয়ে দেশ-বিদেশে নানান রকম সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে মোদি সরকারকে৷   বিরোধীদের অভিযোগ মোদি সরকার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জন্য আগাম প্রস্তুতি নেয় নি।  অনেক আগে থেকেই করোনার বিরুদ্ধে দেশকে যদি ভেবে নিয়েছিল।  দেশের নাগরিকের সুরক্ষার বিষয়ে সরকারকে কোনরকম পদক্ষেপ গ্রহণ করার ভাবনা চিন্তা করা হয়নি।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, ‘এই ভাইরাসটি … আমাদের কাছ থেকে অনেক প্রিয়জনকে ছিনিয়ে নিয়েছে। আমি তাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই এবং তাদের পরিবারদের জানাই সমবেদনা।’

মাত্র 15,000 টাকা ইনভেসমেন্ট করে করতে পারেন এই ব্যবসা, তিন মাসেই লাভ করবেন তিন লক্ষ টাকা

এরপরই বেশ কিচ্ছুক্ষণ  বিরতি নেন তিনি। আবেগে তাঁর গলা রুদ্ধ হয়ে যায়৷  তিনি বারানসীর চিকিত্‍সক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং অন্যান্য ফ্রন্টলাইন যোদ্ধাদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গে আমরা একই সঙ্গে একাধিক ক্ষেত্রে লড়াই করছি। সংক্রমণের হারও অনেক বেশি এবং দীর্ঘদিন হাসপাতালের সহায়তা লাগছে।’

গত দুই সপ্তাহে ভারতবর্ষে করোনা মহামারী দাপট বেশ কিছুটা কমেছে।  যদিও করোনার তৃতীয় তরঙ্গের বিষয়ে এখন থেকেই বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন।  তৃতীয় তরঙ্গ শিশুদের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব দেখা দিতে পারে।  এমন আশঙ্কা করা হচ্ছে।  শিশুদের সুরক্ষার বিষয়ে জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, সামনে দীর্ঘ লড়াই বাকি রয়েছে।