আকাশ ছুঁয়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম, ভারতের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বন্ধ করে বড়সড় বিপাকে পাকিস্তান

পাকিস্তানের অর্থনৈতিক অবস্থা খুব একটা ভালো নয় তা সকলেরই জানা তবে এখন পাকিস্তানের দিনদিন মূল্যবৃদ্ধি ক্রমশ বেড়েই চলছে আর নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম যেভাবে পাকিস্তানের বাড়ছে তার জেরে যথেষ্ট ব্যাকফুটে চলে গিয়েছে পাকিস্তানের ইমরান খানের সরকার, জানা যাচ্ছে এখন পাকিস্তানের প্রতি কেজি চিনির দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় 110 টাকারও বেশি এমন কি এর আগে রমজান মাসে প্রতি কেজি ময়দার দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছিল 96 টাকা।

তবে হঠাৎ করে কীভাবে পাকিস্থানে এরকমভাবে মূল্যবৃদ্ধি আকাশ ছুচ্ছে তার কারণ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে যে তথ্য উঠে আসছে তা রীতিমতো সকলকে চমকে দেওয়ার মতো। যেখানে পাকিস্তানের এই মূল্য বৃদ্ধির কারণ হিসাবে মূল যে তথ্য বেরিয়ে আসছে সেখানে জানা যাচ্ছে ভারতের সঙ্গে সমস্ত রকম ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ করে দেওয়ার কারণে। আর ভারতের সঙ্গে সমস্ত রকম এই বাণিজ্যিক সম্পর্ক বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পাকিস্তান যা 2019 সালে কাশ্মীর থেকে 370 ধারা ও অনুচ্ছেদ 35A বাতিল করার পর নেওয়া হয়েছিল।

ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট থাকলে ৩০ জুনের আগে অবশ্যই করুন এই কাজ, ১ জুলাই থেকে আসছে বড়োসড়ো পরিবর্তন! প্রভাব ফেলবে স্বাভাবিক জনজীবনে

তবে এই প্রথম নয় এর আগেও বহুবার লক্ষ্য করা গেছে যখন এই দুই দেশের মধ্যে সীমান্তে উত্তেজনা। লক্ষ্য করা যায় তখন দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে প্রভাব পড়তে দেখা যায় যা এর আগে ঘটেছিল পুলওয়ামা ও উরির ঘটনায়। একথা বললে খারাপ হবেনা যতবারই ভারতের সাথে পাকিস্তানের বাণিজ্যিক সম্পর্ক খারাপ হয়েছে তার বেশি প্রভাব পড়তে দেখা গেছে পাকিস্থানে এমনকি একাধিক বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পাকিস্তান।

পাকিস্তান ভারত থেকে মূলত আমদানি করে চিনি , কার্পাস, ঔষধপত্র যার জেরে সমস্ত রকম বাণিজ্যিক সম্পর্ক বন্ধ হওয়াই রীতিমতো সমস্যায় পড়তে হয়েছিল পাকিস্তানকে। আর অন্যদিকে ভারত যেহেতু আমদানি তুলনায় রপ্তানি বেশি করে পাকিস্তানে সেহেতু সেরকম কোনো খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে ভারতকে পড়তে হয়নি।তবে এই বাণিজ্যিক সম্পর্ক হওয়ার কারণে পাকিস্তানকে মূলত ওষুধপত্রের দিক থেকে বড় সমস্যায় পড়তে হয়, কারণ অ্যান্টি রেবিজ, পোলিও ভ্যাকসিন টাইফয়েড প্রভৃতি রোগের ওষুধ ভারত থেকে আমদানি করে থাকে পাকিস্তান।

বাংলার বিভিন্ন জেলাতে ঘূর্ণবাত পরিস্থিতির জেরে প্রবল বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা: আবহাওয়া খবর

তাই শেষমেষ নিজেদের করুণ অবস্থা দেখে নিত্য প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র উপর বাণিজ্যিক ছাড় দেয় পাকিস্তান নিজে থেকেই। বলে রাখা ভারত ভারত প্রায় হাজার মিলিয়ন ডলারেরও বেশি চিনি এবং কার্পাস রপ্তানি করে থাকে পাকিস্তানকে কিন্তু বর্তমানে তা বন্ধ হলেও ওষুধ ক্ষেত্রে এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত একাধিক কেমিক্যালে রপ্তানি হয়েছে প্রায় ভারত থেকে পাকিস্তানে 182.26 মিলিয়ন ডলার।

অন্যদিকে ভারতে আমদানি করা হয়েছে পাকিস্তান থেকে বেশ কিছু ফল ,বাদাম, সন্দক লবন ,খনিজদ্রব্য ও তেল যার মোট পরিমাণ দাঁড়ায় 326 মিলিয়ন ডলার। যার ফলে স্বাভাবিকভাবেই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পাকিস্তান তবে এইভাবে মূল্যবৃদ্ধির পরও পাকিস্তান সরকার পুনরায় ভারতের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক চালু করতে নারাজ রয়েছে এমনকি এর জেরে বদল হয়েছে পাকিস্তানের চার জন অর্থমন্ত্রী।

তবে কেন এখন পাক সরকার ভারতের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক চালু করতে চাইছে না সে বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত বেরিয়েছে যে যেখানে জানা যাচ্ছে প্রায় দেড় বছর বাদে রয়েছে পাকিস্তানের নির্বাচন তাই এই সময় পাকিস্তানের একাধিক শক্তিকে অখুশি করতে নারাজ রয়েছে সেখানকার সরকার তাই এই মুহূর্তে এই ধরনের কোন বড় সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না পাকিস্তান।