চাপ বাড়লো বিজেপির,তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন করতে চাওয়া ৩৫ জন নেতার তালিকা অভিষেকের হাতে ধরালেন মুকুল রায়

গত শুক্রবারই আমরা দেখেছি রাজনীতির চাণক্য আবার ঘরে ফিরেছেন। মুকুল রায় প্রত্যাবর্তন করেছেন তৃণমূল শিবিরে। তবে প্রত্যাবর্তনে মুকুল রায় একা ছিলেন না। সাথে ছিলেন তাঁর পুত্র শুভ্রাংশু রায়। তবে এবার বিজেপি থেকে বহু নেতারা তৃণমূলে আবার ফিরতে চান এমনই ৩৫ জন নেতার তালিকা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তুলে দেন মুকুল রায়।

মুকুল রায় বিজেপি ত্যাগ করে তৃণমূলে আসার পর থেকেই সক্রিয় হয়ে উঠেছে বহু নেতা তৃণমূলের ফেরার জন্য। এক সূত্র মারফত জানা যায় মুকুল রায়ের সাথে নাকি অনেক নেতারাই যোগাযোগ করছেন তৃণমূলের প্রত্যাবর্তন করার জন্য। যদিও দলনেত্রী বাছাই করে তাঁর দলের নেতাদের নেবেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন।

 

তৃণমূলে ফিরতে চায় এমন ৩৫ জন নেতার তালিকা মুকুল রায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে দিয়েছে বলে এক সূত্র মারফত খবর পাওয়া গেছে। ঘাসফুল শিবিরে ফিরতে চেয়ে উদ্যোগ প্রকাশ করেছে যেসব নেতা তাঁদের মধ্যে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সোনা গুহ অন্যতম। এর আগেই সোনালী গুহ বিজেপি দলের যাওয়াটা তাঁর ভুল ছিল এই কথা স্বীকার করে ট্যুইট করেছেন। তৃণমূলে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইতিমধ্যেই চিঠি পাঠিয়েছেন দীপেন্দু বিশ্বাস।

 

বিজেপির কড়া সমালোচনা করে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় ট্যুইট করেছিলেন। এরপর তিনি কালকে কুণাল ঘোষের বাড়িতেও পৌঁছেছিলেন। কিন্তু তাঁকে দলে নেওয়ার বিষয়ে এখনো পর্যন্ত সদর্থক মত প্রকাশ হয়নি। এর ইঙ্গিত মিলেছে শুক্রবার মমতা ব্যানার্জির স্বরে। সেইদিনই মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন যে, “যাঁরা গদ্দারি করেছেন, চরমপন্থী, নিম্নরুচির পরিচয় দিয়েছেন, তাঁদের নেব না।” তবে দলে কাকে নেওয়া হবে আর কাকে নেওয়া হবে না সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন দলনেত্রী মমতা ব্যানার্জি।