নেপাল প্রসঙ্গে প্রণব মুখোপাধ্যায় এর আত্মজীবনীতে রয়েছে চাঞ্চল্যকর তথ্য নেহেরুর সম্বন্ধে বড় পর্দাফাঁস

স্বাধীনতার সময় নেপালের তৎকালীন রাজা ত্রিভুবন বীরবিক্রম শাহ নেপালকে ভারতের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন জহরলাল নেহরুর কাছে৷ তাতে মান্যতা দেননি জহরলাল নেহেরু। নিজের আত্মজীবনীতে এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়।

প্রণব মুখোপাধ্যায় তাঁর আত্মজীবনীর ১১ নম্বর চ্যাপ্টারে লিখে গেছেন- ” স্বাধীনতার সময় নেপালের তৎকালীন মহারাজা ত্রিভুবন বিক্রম শাহ, স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে অনুরোধ করেছিলেন, নেপালকে ভারতের অংশ হিসাবে মান্যতা দিতে। কিন্তু তাঁর সেই প্রস্তাবে সাড়া দেননি জওহরলাল নেহরু। পৃথক একটি দেশ হিসাবে গঠিত হয়।”

নেপাল পৃথক দেশ হত না, যদি না সেদিন জহরলাল নেহরু ভারতের থেকে নেপালকে পৃথক করতেন। তিনি নেপালের রাজার প্রস্তাব গ্রহণ করলে আজকের দিনে চীনের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে নেপাল, ভারতের বিরুদ্ধাচরণ করতে পারত না। প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের আত্মজীবনী থেকে এমনই কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে

অসুস্থ প্রাক্তন কর্মীকে দেখতে বাড়িতে হাজির রতন টাটা, মানবিক ‘বস’-এর কাহিনিতে মুগ্ধ গোটা নেটদুনিয়া

প্রণব মুখোপাধ্যায় আরও লিখেছেন, তৎকালীন সময় ইন্দিরা গান্ধী ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পদে আসীন থাকলে, যদি তাঁকে নেপালের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাব দেওয়া হত, তাহলে অবশ্যই তিনি তা গ্রহণ করতেন। তাহলে আজকের দিনেও নেপাল ভারতেরই একটি অংশ হিসাবে থাকত, যেভাবে সিকিম রয়েছে।

 

প্রসঙ্গত প্রথম বাঙালি হিসেবে রাইসিনা হিলের অধিপতি ছিলেন প্রণব মুখোপাধ্যায়৷ রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়, ২০২০ সালে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন৷ বেশকিছুদিন চিকিৎসা চলার পর কোমায় চলে যান৷ এরপর প্রায়ত হন। তাঁর মৃত্যুর পর এই আত্মজীবনী প্রকাশ নিয়ে বাকযুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছিল তাঁর কন্যা শর্মিষ্ঠা মুখোপাধ্যায় এবং পুত্র অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়ের মধ্যে।