মুকেশ আম্বানির থেকে কোন অংশে কম যান না অভিনেতা পরেশ রাওয়াল, করেন বিলাসবহুল জীবনযাপন

খলনায়ক থেকে তাঁর যাত্রা শুরু হয়েছিল, পরে সেটি পরিবর্তিত হয়ে গিয়েছিল কমেডি রোলে, তাঁর অভিনীত কোন চরিত্রে এতোটুকু খুঁত খুঁজে পাওয়া যায় না। তিনি এমনই একজন ব্যক্তিত্ব, যাকে একসাথে ভয় এবং সম্মান দুটোই করা যায়। কথা বলছি পরেশ রাওয়ালের। অসাধারণ এই ব্যক্তিত্বের কথা আলাদা করে কিছু বলার নেই। ১৯৫৫ সালে ৩০মে মুম্বাই শহরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি। বর্তমান বয়স ৬৬ বছর।

তিনি নার্সী মঞ্জি কলেজ অফ কমার্স অন্ড ইকনোমিকস থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেছিলেন। হিন্দি ছাড়াও তিনি বলতে পারেন গুজরাটি, মারাঠি, এবং ইংরেজি ভাষা। তিনি বিবাহ করেন একসময়ের মিস ইন্ডিয়া খেতাবজয়ী স্বরূপ সমপাতকে।

১৯৮৫ সালে “অর্জুন’ নামক একটি সিনেমায় পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করার মাধ্যমে সিনেমা জগতে প্রবেশ করেন তিনি। ১৯৮৬ সালে “নাম” সিনেমায় অসাধারণ অভিনয় করে তিনি সকলের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে “রূপ কি রানি চরো কা রাজা”, “কিং আঙ্কেল”, “বাজি”, “দর”। তবে এই সমস্ত সিনেমায় তিনি খলনায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। তিনি হাস্য চরিত্রে অভিনয় করতে শুরু করেন “আন্দাজ আপনা আপনা”‘ নামক সিনেমা দ্বারা। তবে জনপ্রিয়তার শিখরে তাকে পৌঁছে দিয়েছিলেন “হেরাফেরি” সিনেমাটি।

এছাড়াও তাঁর উল্লেখযোগ্য কিছু সিনেমা হল “আখে”, “গরম মসলা”, “মালামাল উইকলি”, “ওয়েলকাম”, “দে দানা দান”, “ও মাই গড”।” সঞ্জু” সিনেমা সুনীল দত্তের চরিত্রে অভিনয় করে সকলকে চমকে দিয়েছিলেন তিনি। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে তাঁর অভিনীত ছবি “হাঙ্গামা টু”, যেখানে বহুদিন বাদে শিল্পা শেঠিকে মুখ্য নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে।

কর্মজীবনে অসাধারণ অভিনয় করার জন্য তিনি পেয়েছেন জাতীয় পুরস্কার, ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড, পদ্মশ্রী পুরস্কার সহ আরো অনেক পুরস্কার। অভিনয় জগতের পাশাপাশি তিনি ওতপ্রোতভাবে জড়িত রয়েছেন রাজনীতির সঙ্গে। ভারতীয় জনতা পার্টির তরফ থেকে তিনি গুজরাটের আহমেদাবাদে শহরের সংসদ ছিলেন।