আন্তর্জাতিক যোগব্যায়াম দিবস 2019 – প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে স্বাগত জানালো ঝাড়খন্ডের রাজধানী..

আন্তর্জাতিক যোগ আসন দিবসে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদিকে স্বাগত জানালেন ঝাড়খন্ডের রাজধানী রাঁচি শহর। রাঁচির গোটা রাস্তা ছেয়ে গেছে হোর্ডিংয়ে। আজ শুক্রবার রাঁচি শহরে প্রায় একাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেছেন রাঁচির যোগব্যায়াম অনুষ্ঠানে। কড়া নিরাপত্তায় আঁটোসাঁটো রয়েছে গোটা রাঁচি শহর। রাঁচির প্রভাত তারা মাঠে সকাল 7 টায় যোগাসন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিন ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাস বলেন, ‘শুক্রবার, আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে প্রভাত তারা মাঠে লক্ষ্য লক্ষ্য মানুষ অংশগ্রহণ করছেন।

আমি মনে করি, ঝাড়খন্ডের বাসিন্দারা যথেষ্ট স্বাস্থ্য সচেতন’। এদিন ঝাড়খন্ডের বিভিন্ন শহরে সরকারের তরফ থেকে যোগব্যায়াম সংক্রান্ত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। গত বছর দেরাদুনে 21 জুন আয়োজিত হয়েছিল আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। সেখানে প্রায় পঞ্চাশ হাজারেরও বেশি মানুষ যোগদান করেছিলেন। দেরাদুন ফরেস্ট রিসার্চ ইন্সটিটিউট গতবছর এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল।

আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি গত বছর মোদী বলেছিলেন, ‘যোগাসন সকলকে ঐক্যের সুতোয় বেঁধে রাখবে। যোগাসন করলে মনে শান্তি পাওয়া যায়।’ দেখতে দেখতে এ বছর পাঁচে পা দিল আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। শুধু প্রধানমন্ত্রীই নন, যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে সোত্‍সাহে তাল মিলিয়েছেন অন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরাও। এছাড়া যোগাসনের অনেক উপকারিতা রয়েছে যেগুলি হলো হলো–

1)শারীরিক ও মানসিক ভারসাম্য রক্ষা করতে সাহায্য করে।

2)শরীরে জমে থাকা বিষ (টক্সিন) দূর করতে যোগাসন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

3)যোগাসন আমাদের পেটের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ—যেমন পাকস্থলী, ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদান্ত্র, যকৃৎ কার্যকর করে। ফলে হজমশক্তি উন্নত হয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

4)চাপ দূর করতে যোগাসনের বিকল্প নেই।

5)শরীরের রক্তসঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে যোগাসন, যার ফলে অভ্যন্তরীণ শক্তিপ্রবাহের মাত্রা বেড়ে যায়, ফলে আমরা কর্ম–উদ্যমী হয়ে উঠি।

6)শরীর মন ও আত্মার একত্রকরণের মাধ্যমে যোগাসন কোনো একটি বিষয়ের প্রতি একাগ্রতা আনতে সহায়তা করে।

7)মনের চঞ্চলতা কমায়, ধৈর্যশক্তি বাড়ায়।

8)মেয়েদের পিরিয়ডের সময় ব্যথা নিরাময় করতে সাহায্য করে, নারীদের ডিম্বাশয় ভালো থাকে। ফলে প্রজননক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।

9)যোগাসন বিচলিত–বিক্ষিপ্ত মনকে শান্ত করতে সাহায্য করে। এতে চিন্তা করার দক্ষতা বাড়ে এবং আমরা সৃজনশীল হয়ে উঠতে পারি।

Related Articles

Close