প্রধানমন্ত্রী মোদীর বড়ো ঘোষণা ! এই রাজ্যে তৈরি হচ্ছে অসাধারণ এয়ারপোর্ট, জনতা খেললো খুশির হোলি!

লোকসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলই চাইছে তাদের কে জনতার কাছে তুলে ধরতে। যেমন কি আপনারা সকলেই জানেন বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকে মোদি সরকার ফুল পাওয়ারে চলে এসেছেন। তাদের সমস্ত কার্যকর্তা এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি এক্টিভ। আর এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী বললেন যে, সরকার তো আসবে চলে যাবে তবে দেশের বিকাশের ক্ষেত্রে কোন প্রকার কমতি রাখা চলবে না। আর এটাকে মাথায় রেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশকে এমন একটি উপহার দিলেন যেটাতে এই রাজ্যের পুনরুত্থান হয়ে যাবে। এই বছরে কথা বলি তো প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী অনেক বড় বড় ঘোষণা করেছেন।

তবে এই ঘোষণাটি অন্য ঘোষণার তুলনায় একটু আলাদা ও কূটনৈতিক ভাবে নেওয়া। আপনাদের সুবিধার্থে বলে দিই মোদি সরকার এই রাজ্যে এয়ারপোর্ট বানাবার জন্য পারমিশন দিয়ে দিয়েছেন। এই রাজ্যটির আর অন্য কোন রাজ্য না দেশের অন্যতম সুন্দর রাজ্য অরুণাচল প্রদেশ এর কথা বলা হচ্ছে । যেখানে এয়ারপোর্ট বানাতে চলেছেন মোদি সরকার। সূত্র অনুসারে জানতে পারে গেছে, দেশের পূর্ব সীমানা অরুণাচল প্রদেশে একটি বড় এয়ারপোর্ট বানাবার জন্য মোদি সরকারের পক্ষ থেকে একটি বড় ঘোষণা করা হয়েছে। এই জন্য অরুণাচল প্রদেশের পিএম পেমা খান্ডু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছে তার ও রাজ্যবাসী তরফ থেকে। তিনি আরো জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই ঘোষণার জন্যই অরুণাচল প্রদেশের বহুদিনের স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে।

তবে এখানেই শেষ নয় তিনি আরো বলেছেন রাজনীতি তে এই মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মতো কোন ব্যক্তি বা নেতা হবে না দ্বিতীয়। অরুণাচল প্রদেশে এয়ারপোর্ট বানানো সাথে সাথে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একটি ঢিলে দুটি পাখি মারার মতো কাজ করলেন। এই রাজ্যে এয়ারপোর্ট বানানোর ফলে শুধু রাজ্যের বিকাশ হবে তা না সাথে সাথে যে কোন বিপদজনক পরিস্থিতিতে ভারতীয় সেনারা এয়ারপোর্ট এর সাহায্যে জলদি অরুণাচল প্রদেশের মধ্যে প্রবেশ করতে পারবে। যেটা এর আগে কোন ব্যবস্থা ছিল না।

আর এখানে মনে রাখার কথা হল একটি, যে অরুণাচল প্রদেশ চীনের সীমার মধ্যে অবস্থিত যেখানে চীনের নিত্যদিনই কারসাজি করার খবর আমরা পেয়ে থাকি। আর এই এয়ারপোর্টটি সম্পূর্ণ তৈরি হয়ে গেলে চীনের গতিবিধির ওপর নজরদারির সাথে সাথে যেকোনো পরিস্থিতিতে চীনকে জবাব ও দেওয়া যাবে। দেশের সুরক্ষার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী নেওয়া এই পদক্ষেপটি আপনাদের কেমন লেগেছে তা আমাদের অবশ্যই জানাবেন।