পাকিস্তানের অন্তিম চিকিৎসা শুরু! পাকিস্তানে যাওয়া সব জল আটকে দেবে ভারত, ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী মোদীর।

পূর্বে পাকিস্তানের রেলমন্ত্রী ভারতকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন নভেম্বর এবং ডিসেম্বর মাসের মধ্যে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ হবে। অবশ্য বর্তমান পরিস্থিতি যা হয়ে দাঁড়িয়েছে সেই দিকেই যাবে বলে মনে হচ্ছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দাদ্রি ও কুরুক্ষেত্রে নির্বাচনী জনসভা থেকে জনগণকে সম্বোধন করেন।এই দুই জনসভা থেকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তিনি কড়া বার্তা দেন।এদিন প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি পাকিস্তানের ওপর এবার জলের মধ্যে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করার কথা বলেন।

তিনি বলেন, পাকিস্তানের যাওয়া জলের উপর ভারতের অধিকার রয়েছে, তাই ভরত চাইলে সেই জল সংরক্ষণ করতে পারে। এরপর তিনি বলেন আতঙ্কবাদ ও বিচ্ছিন্নতাবাদ আমরা সহ্য করব না। যাতে দেশের ভালো হবে সেই রকম পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি দেন এদিন। জলের প্রভাব যাতে পাকিস্তানের দিকে না যায় তার জন্য কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। যদি এই কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হয়ে যায় তাহলে পাকিস্তানের সামনে মহাবিপদ আসতে চলেছে।

জল ছাড়া পাকিস্তান বেশিদিন সহ্য করে থাকতে পারবে না ফলে পাকিস্তান জলের জন্য ভারতের উপর হামলা করবেই। UNGA তে ভাষণ দেওয়ার সময় পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছিলেন যে, পাকিস্তানের হাতে যদি কিছু না থাকে তাহলে হামলা করবে, যদিও এতে পাকিস্তানের তেমন কিছু লাভ হবে না। যদি যুদ্ধ হয় তাহলে হয় পাকিস্তান ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাবে নাহলে পাকিস্তান আবার ভারতের একীকরন হয়ে যাবে। কারণ বর্তমানে পাকিস্তান আর্থিক দিক থেকে অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে।

অপরদিকে আবার ভারত চীন কে পুরোপুরিভাবে নিউট্রাল রাখার চেষ্টা শুরু করে দিয়েছে। এর ফলে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর স্বপ্ন অখন্ড ভারত নির্মাণ হওয়ার সম্ভাবনা কিছুটা হলেও থাকতে পারে। আপনাদের জানিয়ে দিই যদিও এই পুরো বিষয়টাই কেবলমাত্র কল্পনা। এদিন সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন জাতির সুরক্ষা হচ্ছে সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার। এরপর প্রধানমন্ত্রী বলেন, এরকমভাবে বেশিদিন চলা সম্ভব নয়। আমরা জাতীয় স্বার্থ এবং জাতীয় সুরক্ষায় পদক্ষেপ গ্রহণ করব। অর্থাৎ এর দ্বারা স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে যে ভারত এবার পাকিস্তানের ওপর অন্তিম চিকিৎসা চালাতে শুরু করেছে। আপনারা তো অনেকেই জানেন যে ভারত থেকে অনেক নদীর জল পাকিস্তানের যায়। সরকার সেই জল আটকে রেখে ভারতের কৃষকদের দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে।

এর ফলে হরিয়ানা, পাঞ্জাব, উত্তরাখণ্ডের কৃষকরা লাভবান হবেন বলে জানিয়েছে। পাকিস্থানে যাতে জল না যায় তার জন্য পাঞ্জাবে জল আটকে রাখার ব্যবস্থা ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে এবং কিছু কিছু জায়গায় জল আটকানোর কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গেছে।

Related Articles

Close