করোনা আক্রান্ত হলে শিশুদের কী কী শারীরিক সমস্যা দেখা মিলতে পারে, জেনে নিন বিস্তারিত

করোনার প্রথম ঢেউ-এ তেমনভাবে ভারতের ক্ষতি না হলেও করোনার দ্বিতীয়বারে ভারতবর্ষের অবস্থা আশঙ্কাজনক। করোনার দ্বিতীয় ক্ষেত্রে শিশুরাও অনেক আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। করোনার ফলে শিশুদের হার্ট যন্ত্রের সমস্যা এমনকি উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামলে উঠলেও প্রশাসনিক মহল চিন্তিত তৃতীয় ঢেউ কে নিয়ে। এই ক্ষেত্রে রাতে বাচ্চারা আক্রান্ত না হয় সেই দিকে নজর দিচ্ছে সরকার।

ভারতবর্ষের মধ্যে করোনার কবলে পড়ে মহারাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। মুম্বইয়ের ১০০০ শয্যার কস্তুরবা হাসপাতালে শ্বাসকষ্ট এবং কমে যাওয়া রক্তচাপের সমস্যার জন্য ৪ জন শিশুকে ভর্তি করা হয়েছে। জানা যায় এই চারটি শিশুর মায়েরই সম্প্রতি করোনা হয়েছিল। এই শিশু গুলির করোনার চিকিৎসা চালানো হলেও এখন তাদের শরীরে বিরল ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে। জীবন হানিকর এই সমস্যাটির নাম মাল্টি-সিস্টেম ইনফ্লেমেটরি সিনড্রোম (এমআইএসসি)।

কোনো শিশুর করোনা সেরে যাবার পর 6 থেকে 8 সপ্তাহ পর এই সমস্যাগুলি দেখা দিচ্ছে। কিছু দিন আগে আমেরিকায় কমপক্ষে ৪০০০ শিশুর এমন রিপোর্ট পাওয়া গিয়েছে। এদের মধ্যে ৩৬ জন মারা গিয়েছে। দিল্লির গঙ্গারাম হাসপাতালের শিশু বিভাগের চিকিৎসক ড. ধীরেন গুপ্ত জানিয়েছেন মার্চ মাসে দ্বিতীয় দফার করোনা ভাইরাস সংক্রমণ শুরুর পর এই ধরনের ৭৫টি সমস্যা যুক্ত শিশুর খোঁজ পেয়েছেন তিনি। তাদের চার থেকে ১৫ বছরের মধ্যে।

বাড়িতে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন Student Credit Card, বিস্তারিত পদ্ধতি জানতে

এর পাশাপাশি ওই চিকিৎসক আরও জানিয়েছেন যে দিল্লি ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে এমন রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা হল প্রায় ৫০০। প্রধানত হার্টের মাংসপেশীর প্রদাহ থেকে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়।

এই ধরনের রোগের চিকিৎসার জন্য মহারাষ্ট্রের চিকিৎসকরা এটির নাম দিয়েছে ‘নোটিফাইঅ্যাবল ডিজিজ’। ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য কঠিন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠার জন্য এমন উপসর্গ দেখা দিতে পারে। প্রথমদিকে যেমন উচ্চ তাপমাত্রা যুক্ত অব্যাহত জ্বর, শরীরে ফুঁসকুড়ি ওঠা, চোখ লাল হওয়ার মত কিছু উপসর্গ সৃষ্টি হতে পারে। ৫ বছরের কম বয়সি শিশুদের ক্ষেত্রে কাওয়াসাকির মত বিরল রোগ দেখা দিতে পারে।