করোনার জেরে এক কঠিন সময়ের মুখোমুখি পার্সোনাল ফিনান্স; এমার্জেন্সি ফান্ড, বিমা কি সুরক্ষা দিতে পারবে?

২০২০ একের পর এক খারাপ খবর নিয়ে এসেছে। বহু মানুষ চাকরি হারিয়েছেন। ছাঁটাই হয়েছে কর্ম সংস্থায়। অল্প টাকাতেই জীবন কাটাতে হয়েছে৷ এই সব কিছুর মধ্যে ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিয়ে ভাবনা-চিন্তা শুরু করেছেন। নিজেদের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ আরও মজবুত করার চেষ্টা করেছেন। লকডাউনের জেরে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি একটা বড় অংশের উপরে প্রভাব ফেললেও অনেকেই এই অস্থির পরিস্থিতিতে লড়াই চালাতে পেরেছেন পারসোনাল ফিনান্সের জেরে৷

পার্সোনাল ফিনান্সের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য এমার্জেন্সি ফান্ড। এই এমার্জেন্সি ফান্ডগুলিতে কমপক্ষে ছয় মাসের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ থাকাটা অত্যন্ত জরুরি। যাঁদের ইমার্জেন্সি সেভিংসে এই টাকা ছিল, তাঁরা প্যানডেমিকে সামলে নিতে পেরেছেন। অন্যদের শুধুমাত্র ক্রেডিট কার্ড বা লোনের মোরাটরিয়াম (Moratorium) ছিল একমাত্র পথ।

ঠোঁটে ঠোঁট রেখে চুম্বনে মত্ত অভিমণ্যু-দামিনী, শ্রাবন্তীর ছেলের ঘনিষ্ঠতা দেখে মাথায় হাত সকলের

২০২০ এর জুলাইতে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার রিপোর্টে প্রায় ৫০ % ঋণগ্রহীতার লোন মোরাটরিয়ামের বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়েছিল। এমার্জেন্সি ফান্ড- কথাটা সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।২০২০ সালের মার্চ-এপ্রিলে দেশ জুড়ে লকডাউন বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলে। অনেক বিনিয়োগকারী ইক্যুইটি থেকে নিজেদের টাকা তুলে নিয়েছেন৷ অনেকে ইনভেস্টমেন্ট থেকে একটা বড় রিটার্নের পরিকল্পনা করেছেন। অনেকে শর্ট টার্ম ফিনান্সিয়াল প্ল্যানগুলিকে বেছে নিয়েছে৷

এই প্যানডেমিকে স্বাস্থ্যের বিষয়টিও ভাবিয়েছে মানুষজনকে। তাই নানা স্বাস্থ্য বিমা, হেল্থ ইনসিওরেন্স নিয়ে ভাবছে মানুষজন। কারণ হাসপাতল এর প্রভুত খরচ সামলানো কঠিন৷ ESI বা এমপ্লয়ি প্ল্যানগুলি থাকলেও অন্যান্য আলাদা স্বাস্থ্য বিমা করিয়েছেন অনেকেই। কাজেই ২০২১ সালেও বিমার পরিকল্পনা রাখা ভালো হবে৷