দুটির বেশি সন্তান থাকলে পঞ্চায়েত নির্বাচনে লড়াই করা যাবে না, বিল পাস উত্তরাখণ্ড বিধানসভায়…

উত্তরাখণ্ড সরকার এই মুহূর্তে বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে। তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে এবার থেকে দুটির বেশি বাচ্চা নিলে সেই ব্যক্তি পঞ্চায়েত নির্বাচনে দাঁড়াতে পারবেন না। রাজ্যের বিজেপি সরকার এই জন্য পঞ্চায়েত রাজ সংশোধন অধিনিয়ম 2019 বিল বিধানসভায় পাশ করিয়েছে। এবার এই বিল রাজ্যপালের কাছে যাবে। রাজ্যপাল এই বিল পাশ করলে সেটি প্রদেশে লাগু হবে। উত্তরাখণ্ডে এই বিল খুব তাড়াতাড়ি লাগু হতে চলেছে। যেদিন থেকে এই বিল পাস হবে সেদিন থেকে দুটি বাচ্চা নিলে ওই ব্যক্তি নির্বাচনে লড়তে পারবে না।

বিধায়ক কে বলা হয়েছে যে ব্যাক্তি 2 টির বেশি বাচ্চা নেওয়া ব্যাক্তি টিকে গ্রাম পঞ্চায়েত, ক্ষেত্র পঞ্চায়েত ও জেলা পঞ্চায়েত নির্বাচনে লড়তে পারবেন না। শুধু এটি নয় আরেকটি নিয়ম করা হয়েছে।এখানে নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন না যে, প্রদেশে 50 হাজার পঞ্চায়েত প্রতিনিধি নির্বাচিত হন। সরকারের এই নয়া নির্দেশীকাকে রাজ্য জুড়ে স্বাগত জানানো হচ্ছে। তবে এমন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেও কিছুজন যাচ্ছেন।

আর অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মতে এটি একটি ভালো নিয়ম কারণ, নিয়ম সবার আগে জনপ্রতিনিধি, নেতাদের উপর লাগু করা উচিৎ তার পর সাধারণ মানুষদের উপর। উত্তরাখণ্ড সরকার এমনটা করে দেখিয়েছে। একই সাথে শিক্ষাগত যোগ্যতা বেঁধে দিলে গ্রামবাসী একজন ভালো মানুষের হাতে দায়িত্ব দিতে পারবেন, যে গ্রামের সকল উন্নয়ন করবেন। সংসদীয় কার্যমন্ত্রীর ভূমিকা পালন করতে গিয়ে মদন কৌশিক এই প্রস্তাব পেশ করেছিলেন।

এতদিন পর্যন্ত উত্তরাখণ্ডে পঞ্চায়েত নির্বাচনে দাঁড়ানোর জন্য কোন পারিবারিক তথ্য বা শিক্ষাগত যোগ্যতা যাচাই করে দেখা হতো না। কিন্তু এই বিল পাস করার পর ওই সমস্ত কিছু যাচাই করে ওই ব্যক্তিকে লড়াই করার অনুমতি দেওয়া হবে। কিন্তু পরবর্তী নির্বাচন থেকে এই সমস্ত বিষয় গুলির উপর নজর রাখা হবে। অনেকে মনে করছেন সরকার জনগণের উপর জনকসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইন আনার আগে তা জনপ্রতিনিধি ও নেতাদের উপর লাগু করা হচ্ছে।