অভিনেতাকে নিজের স্ট্যাটাস দেখাতে,সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে ক্রমশ তীব্র হচ্ছে লাল সিং চাড্ডা এর বয়কটের ডাক

বলিউডের অন্যতম অভিনেতা তথা পারফেকশনিস্ট আমির খান একজন অনবদ্য অভিনেতা এবং পরিচালক। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে আমির খানের সিনেমা সেইভাবে মানুষ আর পছন্দ করছেন না। থাগস অফ হিন্দুস্তান, সিনেমাটি ভীষণভাবে ফ্লপ হয়েছিল বক্স অফিসে। এবার “লাল সিং চাড্ডা” সিনেমার বিরোধিতা করতে শুরু করেছেন সাধারণ মানুষ। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে মুক্তি পেতে চলেছে লাল সিং চাড্ডা কিন্তু এই সিনেমা মুক্তি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সিনেমা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

সিনেমাটিতে আমির খানের বিপরীতে অভিনয় করছেন কারিনা কাপুর খান। সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই সিনেমা এবং সিনেমার কলাকুশলীদের নিয়ে উপহাস তৈরি হয়ে গেছে এবং এই সিনেমাটি যাতে অবিলম্বে বয়কট করা হয় তার দাবিও তোলা হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়াতে। কিন্তু কেন এই সিনেমা মুক্তি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বয়কটের দাবি তোলা হলো চলুন জেনে নেওয়া যাক।

আমির খানের প্রতি এই বিদ্বেষের অনেক কারণ আছে যার মধ্যে প্রধান কারণ হলো আমির খান একবার সকলের সামনে বলেছিলেন তিনি এবং তাঁর স্ত্রী এই ভারতবর্ষে থাকতে ভয় পান। এছাড়াও ২০১৪ সালে আমির খান অভিনীত একটি সিনেমা “পিকে”- কে নিয়ে ভীষণভাবে ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন সাধারণ মানুষ। কেন একটি সিনেমায় শুধুমাত্র হিন্দু ভগবানকে নিয়ে ঠাট্টা করা হয় কেন মুসলমান ভগবানকে নিয়ে ঠাট্টা করা হয় না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই।

এছাড়াও লাল সিং চাড্ডা সিনেমার শুটিং শেষ করার পর আমির খান তুরস্কের রাষ্ট্রপতি এবং তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছিলেন এবং সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করেছেন জানিয়ে ভীষণভাবে ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন সাধারন মানুষ। এই সিনেমা অবিলম্বে বয়কট করার দাবি জানান প্রত্যেকে। শুধুমাত্র আমির খান নয় একইসঙ্গে উপহাস করা হয়েছে কারিনা কাপুর খানকে। বলে রাখি, কারিনা কাপুর খান চরিত্রের জন্য ১২ কোটি টাকা চেয়ে ছিলেন যার পরেই কারিনা কাপুর খানকে নিয়ে বিদ্বেষ তৈরি হয় সাধারণ মানুষের মনে।