সোনু সুদ কে আগামী প্রধানমন্ত্রী পদে নিযুক্ত করা হোক নেট মাধ্যমে উঠছে ঝড়,অভিনেতার পাশে রয়েছেন প্রিয়াঙ্কা

দেশুজুড়ে থাবা বসিয়েছে  করোনার দ্বিতীয় ঢেউ।  কেড়ে নিয়েছে বহু মানুষের  প্রাণ। বহু শিশু বাব-মাকে হারিয়ে অনাথ হয়েছে৷ পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে মন ভারাক্রান্ত হওয়া ছাড়া আর কিছু নেই৷ এই  ছোট্ট বয়েসেই যারা অভিভাবকহীন হয়ে পড়ল, সেই শিশুদের জন্য ঈশ্বরের মত এগিয়ে এসেছেন সোনু সুদ (Sonu Sood) ও প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জোনাস (Priyanka Chopra Jonas)।

করোনার কবলিত দেশে করোনার মরণ কামড়  যে সমস্ত শিশুদের বাবা মা কে কেড়ে নিয়েছে, তাদের শিক্ষার দায়িত্ব নিতে হবে  কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে। এই মর্মে ট্যুইটে আবেদন করেছিলেন সোনু সুদ। সোনু সুদের আবেদনকে সমর্থন করেন বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া৷  সোনুর এই ট্যুইট মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তেই দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁকে চাইছেন অভিনেতার অনুগামীরা।

এই ট্যুইটেকে সমর্থন করার জন্য প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে  অভিনেতা সোনু সুদ  লিখেছেন, “তোমার সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ প্রিয়াঙ্কা, আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি আমরা সবাই মিলে এটা করে দেখাব”। এর সঙ্গে একটি হাত জোড় করা ইমোজি দিয়েছেন৷

 

ফের কল্পতরু মমতা,ক্ষমতায় আসার একদিনের মধ্যে রাজ্যে সরকারি কর্মচারীদের জন্য বোনাস ঘোষনা মুখ্যমন্ত্রীর

প্রিয়াঙ্কা তাঁর জবাবে একটি লম্বা ট্যুইট করেন৷  সোনুর কাজের ভূয়সী  প্রশংসা করেছেন প্রিয়াঙ্কা৷ তিনি লিখেছেন  “আমার সহকর্মী @sonu_sood একাধারে দার্শনিক অন্যদিকে সমাজসেবী, তিনি ভাবেন এবং এগিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রাখেন। মহামারীর আমাদের অনেক ভয়াবহ কাহিনি সামনে এনেছে, বহু শিশু তাদের বাবা-মা হারিয়েছে, তাদের পড়াশোনা একেবারে থমকে যাবে এবার, তাদের ভবিষ্যৎ কী হতে পারে? সেই চিন্তা এখন থেকেই সোনু সুদ করছে।

 

আমি অনুপ্রাণিত হয়েছি ওর এই ভাবনাতে। সোনুর পরামর্শ রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকার উভয়েরই বিবেচনা করা উচিত, এই বিপুল সংখ্যক শিশুদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে তাদের পড়াশোনার দায়িত্ব প্রশাসনকেই নিতে হবে”। সোনু সুদের এই ভিডিও ট্যুইটে একজন অনুরাগী লিখেছেন, ‘সোনু সুদের আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া উচিত।’ সেই কমেন্টে সমর্থন জানিয়েছেন বহু মানুষ৷

অনেকেই মনে করেন  দেশের এই পরিস্থিতিতে সোনু সুদের মত একজন মানুষ প্রধানমন্ত্রী হওয়া প্রয়োজন।কেন্দ্রীয় নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani) অনাথ অসহায়  শিশুদের  সাহায্য করার জন্য হেল্পলাইন ১০৯৮ চালু করেছেন৷ সংশ্লিষ্ট রাজ্য অথবা জেলা  প্রশাসন  শিশুকল্যাণ কমিটির কাছে এ বিষয়ে  নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।